1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ফুলবাড়ীতে ছিনতাইয়কারীর ছুরির আঘাতে চালক নিহত;গাড়িসহ ঘাতক ছিনতাইকারী আটক ১ “বাংলাদেশে প্রথম ইসলাম প্রচার হয় যে মসজিদ থেকে”

খুলনায় এক রাতে দুই হা”মলা -গু”লি আর চা”পাতির তা”ণ্ডব, নগরীতে আ”তঙ্ক.

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ২৫ বার পঠিত

বাংলার চেতনার নিউজ ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা

একই রাতে, একই শহর, দুই প্রান্তে রক্ত। গুলির শব্দ আর চাপাতির আঘাতে কেঁপে উঠল খুলনা মহানগরী। ২৮ জুন রবিবার রাত সাড়ে ৮টার পর সোনাডাঙ্গা আর হরিজন এলাকায় পৃথক দুই হামলার ঘটনায় সাধারণ মানুষের ঘুম উড়ে গেছে।

সোনাডাঙ্গা থানাধীন আইডিয়াল স্কুলের পাশে ঘটনাটি ঘটে। দুর্বৃত্তরা গুলি করে মানিক ৩২ নামে এক যুবককে। মুহূর্তের মধ্যে লুটিয়ে পড়ে সে।

স্থানীয়রা ছুটে এসে রক্তাক্ত মানিককে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল খুমেক-এ নিয়ে যান। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন। অবস্থা কেমন, তা এখনও নিশ্চিত করে বলেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গুলিবিদ্ধ যুবককে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

একই রাতে নগরীর হরিজন এলাকায় ঘটে আরেক নৃশংসতা। এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়।

তাৎক্ষণিকভাবে হামলার শিকার যুবকের পরিচয় জানা যায়নি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকেও খুমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সেও।

পুলিশ জানিয়েছে, দুই ঘটনার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। পূর্ব শত্রুতা, আধিপত্য, নাকি অন্য কিছু—সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এক রাতে গুলি + চাপাতি—দুই সহিংস ঘটনায় খুলনার মানুষ আতঙ্কিত। সোনাডাঙ্গার মতো ব্যস্ত এলাকায় গুলি, হরিজন এলাকায় কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা। আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ মানুষের মনে।

এলাকার এক ব্যবসায়ী বলেন, “রাত ৮টা বাজতেই গুলি। দিনে-রাতে পার্থক্য থাকল না। ছেলে-মেয়ে নিয়ে রাস্তায় বের হতে ভয় লাগে এখন।

ওসি রফিকুল ইসলাম আশ্বাস দিয়েছেন, “জড়িতদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। দুই ঘটনার মোটিভ বের করে দ্রুত আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

খুলনা শান্তির শহর ছিল একসময়। আজ এক রাতেই দুই যুবকের রক্তে ভিজল নগরীর মাটি। গুলি আর চাপাতি হাতে নিয়ে যারা ঘুরে বেড়ায়, তাদের কাছে মানুষের জীবন কি এতই সস্তা?

প্রশাসনের কাছে দাবি—অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন। নাহলে আগামী রাতে আরেক মানিকের রক্ত ঝরবে। খুলনার মানুষ শান্তিতে বাঁচতে চায়, আতঙ্কে না।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park