1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ফুলবাড়ীতে ছিনতাইয়কারীর ছুরির আঘাতে চালক নিহত;গাড়িসহ ঘাতক ছিনতাইকারী আটক ১ “বাংলাদেশে প্রথম ইসলাম প্রচার হয় যে মসজিদ থেকে”

সাতগাতী আম্রঝুটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংস্কারকাজে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
  • ৪৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সাতগাতী আম্রঝুটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১৫ লাখ টাকার সংস্কার প্রকল্পের কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলামের অনুপস্থিতির সুযোগে প্রকল্পের কাজে তিন নম্বর ইট ব্যবহার করে নিম্নমানের নির্মাণকাজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি সংস্কার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে কাজের শুরু থেকেই নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পে নির্ধারিত মানের ইট ব্যবহারের পরিবর্তে তিন নম্বর ইট ব্যবহার করা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে ভবনের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবক জানান, বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজে সরকার বিপুল অর্থ বরাদ্দ দিলেও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতা ও তদারকির অভাবে নিম্নমানের কাজ হচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে তদারকি করা হয়নি।

ফলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংস্কারকাজে কোনো ধরনের অনিয়ম মেনে নেওয়া যায় না। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করতে দ্রুত তদন্ত প্রয়োজন।
অভিযোগ রয়েছে, সংস্কারকাজে ব্যবহৃত সামগ্রীর মান নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন উঠলেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। এ কারণে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার এবং উপজেলা শিক্ষা প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
এদিকে এলাকাবাসী প্রকল্পের কাজের মান যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ এবং দুর্নীতি দমন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অবস্থা উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং বিদ্যালয়ের সংস্কারকাজ নির্ধারিত মান অনুযায়ী সম্পন্ন করা নিশ্চিত করা হোক।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park