1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ফুলবাড়ীতে ছিনতাইয়কারীর ছুরির আঘাতে চালক নিহত;গাড়িসহ ঘাতক ছিনতাইকারী আটক ১ “বাংলাদেশে প্রথম ইসলাম প্রচার হয় যে মসজিদ থেকে”

ডুমুরিয়ায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট, দেশি গরুর চাহিদা বেশি

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬
  • ৪১ বার পঠিত

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।
সোমবার ২৫ মে ২০২৬
ডুমুরিয়া (খুলনা): পবিত্র ঈদুল আযহা বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। এরই মধ্যে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটগুলো ক্রেতা ও বিক্রেতাদের পদচারণায় জমে উঠেছে। উপজেলার চুকনগর, শাহপুর, খর্ণিয়াসহ প্রধান প্রধান হাটগুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলছে গবাদিপশু বেচাকেনা।

স্থানীয় খামারিরা তাদের পরম যত্নে লালন-পালন করা গরু ও ছাগল হাটে নিয়ে আসছেন। এবারের বাজারে বড় আকারের গরুর চেয়ে মাঝারি ও ছোট সাইজের দেশি গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

মাঝারি গরু: বাজারে ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ক্রেতারা এই বাজেটের মধ্যেই বেশি ঝুঁকছেন।

বড় গরু: ২ লক্ষ থেকে শুরু করে তদূর্ধ্ব মূল্যের বড় সাইজের গরুর সরবরাহ থাকলেও ক্রেতা কিছুটা সীমিত।

ছাগলের বাজার: খাসির বাজারেও ক্রেতাদের বেশ ভিড় দেখা গেছে। ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো মানের খাসি পাওয়া যাচ্ছে।

হাটে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার পশুর দাম কিছুটা চড়া মনে হচ্ছে। তবে হাটে পর্যাপ্ত গবাদিপশু থাকায় তারা ঘুরেফিরে দেখেশুনে কেনার সুযোগ পাচ্ছেন।

অন্যদিকে বিক্রেতা ও খামারিরা জানান, গো-খাদ্যের (ভুসি, খৈল, খড়) দাম অতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার পশু লালন-পালনে খরচ অনেক বেশি হয়েছে। তাই কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি না করলে তাদের লোকসান গুনতে হবে। তবে বাজারে কৃত্রিম কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই।

পশুর হাটগুলোতে জালিয়াতি ও অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রোধে এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে। এছাড়া জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিনের পাশাপাশি হাটের হাসিল (খাজনা) আদায়ের বিষয়টিও তদারকি করা হচ্ছে।

খামারিদের আশা, ঈদের দু-একদিন আগে বাজার আরও চাঙ্গা হবে এবং তারা সঠিক মূল্যেই তাদের পশু বিক্রি করতে পারবেন।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park