1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ফুলবাড়ীতে ছিনতাইয়কারীর ছুরির আঘাতে চালক নিহত;গাড়িসহ ঘাতক ছিনতাইকারী আটক ১ “বাংলাদেশে প্রথম ইসলাম প্রচার হয় যে মসজিদ থেকে”

“জমি উদ্ধার, পাওনা টাকা আদায় ও আইনী সহায়তার প্রতিশ্রুতি, বাস্তবে প্রতারণা”—ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন কাউন্সিলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭০ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

“সহায়তার প্রতিশ্রুতি, বাস্তবে প্রতারণা”—এমনই অভিযোগ উঠেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন কাউন্সিল নামে একটি কথিত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান পরিচয়ে জমি উদ্ধার, পাওনা টাকা ফেরত, আইনি সহায়তা ও প্রশাসনিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে সাধারণ ও অসহায় মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী।

ভুক্তভোগীদের দাবি, বিভিন্ন জটিল সমস্যা—বিশেষ করে জমি দখল, দেনা-পাওনা সংক্রান্ত বিরোধ এবং মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের আস্থা অর্জন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি নিজেদের আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রভাবশালী যোগাযোগ ও ক্ষমতার কথা তুলে ধরে সাধারণ মানুষকে প্রলুব্ধ করে।

অভিযোগ অনুযায়ী, সেবা প্রদানের আশ্বাস দিয়ে আগাম নির্ধারিত ফি বা “প্রসেসিং খরচ” হিসেবে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো কার্যকর আইনি পদক্ষেপ বা দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি। বরং সময়ক্ষেপণ, একের পর এক অজুহাত এবং শেষপর্যন্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার মতো ঘটনাও ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

একাধিক ভুক্তভোগী জানান, ন্যায়বিচারের আশায় তারা নিজেদের সঞ্চয়, এমনকি ধার-দেনা করে অর্থ দিয়েছেন। কিন্তু প্রতিশ্রুত সেবা না পেয়ে তারা এখন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। অনেকেই সামাজিক সম্মানহানির ভয়ে প্রকাশ্যে অভিযোগ করতে সাহস পাচ্ছেন না।

আইন সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের কথিত প্রতিষ্ঠান সাধারণত কোনো বৈধ নিবন্ধন বা অনুমোদন ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। নিজেদের প্রভাবশালী বা আন্তর্জাতিক পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস অর্জন করাই তাদের প্রধান কৌশল। ফলে সচেতনতার অভাবে মানুষ সহজেই প্রতারণার ফাঁদে পড়ে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো প্রতিষ্ঠান আইনি সহায়তা দেওয়ার দাবি করলে তার বৈধতা, নিবন্ধন, লাইসেন্স এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের পরিচয় যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় প্রতারণার ঝুঁকি থেকে যায়।

এদিকে, ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে ক্ষতিগ্রস্তদের অর্থ ফেরত নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park