
কুষ্টিয়া প্রতিনিধিঃ-
কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলা সমাজসেবা সহকারী ফিল্ড অফিসার মোঃ রোকনুজ্জামান ওরোফে লিটন এর বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করা নিয়ে নানা রকম অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, রোকনুজ্জামান লিটন দীর্ঘ দিন ধরে দৌলতপুর উপজেলা সমাজ সেবা অফিসে চাকুরী করে আসছে।এবং এই অফিসের বেশির ভাগ কর্মচারী দৌলতপুর উপজেলার আওতাধিন।
নিজ থানার কর্মচারী বৃন্দরা তারা ইচ্ছা মত বিগত সরকারের আমলে প্রতিবন্ধী ভাতা সহ সকল কাজ কর্ম করে আসছে।
সমাজ সেবা অফিসের কর্মরত কর্মচারীরা তাদের আত্মীয় স্বজনদের নামে প্রতিবন্ধী ভাতা,দুস্থ রীন সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা গ্রহন করে আসছে।
দৌলতপুর উপজেলায় এমনি একজন কর্মচারীর আত্মীয় স্বজনদের নামে প্রতিবন্ধী কার্ড করা প্রমাণ মিলেছে। তারা দীর্ঘ দিন ধরে শুশুর,শাশুড়ী,সালা,সালার বৌ,আরো আত্মীয় স্বজন প্রতিবন্ধী কার্ডের টাকা দীর্ঘ দিন ধরে আত্মসাৎ করে আসছে।
তার নিজ আত্মীয় স্বজন এর নামে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেয়, যা তারা কেউ প্রতিবন্ধী নয়,এমন ভাবে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষাধিক টাকা, এমনটাই বের হয় অনুসন্ধানে,
সমাজসেবা অফিসের রোকনুজ্জামানের আত্মীয় তার শাশুড়ি, শালা, শালার বউ, আপন শালী সহ আরো অনেক নিকটতম আত্মীয়দের নামে কার্ড করে দেয়।
গণমাধ্যম কর্মীরা তাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাদের ফোন বন্ধ করে রাখে।
গোপন সংবাদ এর ভিত্তিতে প্রমান মিলে তারা কেউ প্রতিবন্ধী কার্ড পাওয়ার উপযুক্ত না। কিন্তু তাদের নামে কার্ড আছে তারা নিয়ম অনুযায়ী টাকা গ্রহন করে থাকে।
দৌলতপুর সমাজসেবা অফিস এর লিস্ট অনুযায়ী তাদের ফোন নাম্বারে টাকা যায়, এই বিষয়ে রোকনুজ্জামান এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি দায় সাড়া কথা বলে ।
এ বিষয়ে সাংবাদিক সাধারণ মানুষের সাথে কথা বললে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে এত বড় অনিয়ম মেনে নিতে নারাজ।
এ বিষয়টি দৌলতপুর উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মোঃ জহিরুল ইসলাম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি পুরো বিষয়টি অস্বীকার করে এবং এ বিষয় তিনি অবগত নন। রোকনুজ্জামান লিটন তাকে ম্যানেজ করে সাংবাদিকদের সামনে মুখ খুলতে নারাজএমনটাই অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।।