1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ফুলবাড়ীতে ছিনতাইয়কারীর ছুরির আঘাতে চালক নিহত;গাড়িসহ ঘাতক ছিনতাইকারী আটক ১ “বাংলাদেশে প্রথম ইসলাম প্রচার হয় যে মসজিদ থেকে”

১৫ ঘণ্টায় শিশু শামস হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন: প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার, অস্ত্র ও আলামত উদ্ধার।

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ৫২ বার পঠিত

মোঃ আশরাফুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সংঘটিত শিশু সিরাজুম আল শামস (৮) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে জেলা পুলিশ। ঘটনার মাত্র ১৫ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত শিশু নবাবগঞ্জ উপজেলার ৯ নম্বর কুশদহ ইউনিয়নের বাসিন্দা মোঃ মমিনুল ইসলামের একমাত্র সন্তান। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টার দিকে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ, আফতাবগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা যৌথভাবে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। সহকারী পুলিশ সুপার (বিরামপুর সার্কেল) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), দিনাজপুরের নেতৃত্বে এবং পুলিশ সুপার, দিনাজপুরের তত্ত্বাবধানে অভিযান পরিচালিত হয়।

তদন্তের এক পর্যায়ে নিহতের আত্মীয় মোঃ আমানুর ইসলাম আমান (২১)–কে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

পুলিশের ভাষ্যমতে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় পারিবারিক পরিচিতির সুযোগ নিয়ে শিশুটিকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী একটি নির্মাণাধীন স্থানে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় এবং মরদেহ নিকটবর্তী ভুট্টা ক্ষেতে ফেলে রাখা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো অস্ত্র এবং নিহতের ব্যবহৃত স্যান্ডেল উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় জানায়, পেশাদারিত্ব ও প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলমান। এদিকে, ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক শোকের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park