
মোঃ আশরাফুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
মানসম্মত পণ্য, সুশাসন ও জনআস্থার ভিত্তি শক্তিশালী করতে বিএসটিআই-এর কার্যক্রম তুলে ধরা হয় আলোচনা সভায়:
বিশ্বব্যাপী নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় নির্ভরযোগ্যতা, স্বচ্ছতা ও জনআস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস-২০২৬। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল— “Metrology: Building Trust in Policy Making” যার বাংলা ভাবানুবাদ, “নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় আস্থা নির্মাণে মেট্রোলজি”।
এ উপলক্ষে বুধবার (২০ মে) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে জেলা প্রশাসন ও বিএসটিআই-এর যৌথ উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, পণ্য ও সেবার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং জনস্বার্থ রক্ষায় মেট্রোলজির গুরুত্ব অত্যন্ত অপরিসীম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, সিভিল সার্জন ডা. আসিফ ফেরদৌস, দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আবু বকর ছিদ্দিক, এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আতিকুল ইসলাম।
আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিএসটিআই দিনাজপুর আঞ্চলিক অফিসের উপ-পরিচালক (মেট্রোলজি) ও অফিস প্রধান মোঃ জুলফিকার আলী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন।সভায় বক্তারা বলেন, আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নীতি নির্ধারণ, শিল্পোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সঠিক পরিমাপ পদ্ধতি ও মান নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে দেশের পণ্য ও সেবার গুণগত মান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিএসটিআই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।
অনুষ্ঠানে বিএসটিআই আঞ্চলিক অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বিশ্ব মেট্রোলজি দিবসের তাৎপর্য, বিএসটিআই-এর কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর গ্রহণযোগ্যতা, পণ্য ও সেবার মানোন্নয়নে সরকারী উদ্যোগ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা তুলে ধরা হয়।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে আরও কার্যকর সমন্বয় ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।।