
মহিদুল ইসলাম (শাহীন)খুলনা।
বাংলাদেশর সর্ব বৃহৎ সরকারি মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার রয়েছে খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলায় । উক্ত খামারে ২০২৫ সালের ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত মহিষ রয়েছে ২৫১টি। তার মধ্যে মুররা জাতের মহিষ রয়েছে বেশি। এর মধ্যে বাছুরের সংখ্যা ১০৯ টি এবং বড়ো মহিষ রয়েছে ১৪২ টি। মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামারে লোকবল থাকার কথা ৫২ জন অথচ লোকবল রয়েছে মাত্র ১৬ জন।

তারমধ্যে চতুর্থ শ্রেনীর পদে ৩৩ জন থাকার কথা অথচ সেখানে রয়েছে মাত্র ৩ জন। ফকিরহাট উপজেলার মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার সুত্রে জানাগেছে,গত অর্থ বছরে উক্ত খামার থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে ১ কোটি,৬৩ লাখ,৫৮ হাজার টাকা। তারমধ্যে দুধ থেকে আয় হয়েছে ৩৩ লাখ সাড়ে ৯৪ হাজার টাকা। বাছুর ও বড়ো মহিষ বিতরণ ও বিক্রয় থেকে আয় হয়েছে ১ কোটি ২৫ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। অন্য দিকে টেন্ডার বা শিডিউল বিক্রয় থেকে আয় হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার টাকা এবং অনান্য খাতে আয় হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।
একজন আদর্শ খামারি নজরুল ইসলাম নবি বলেন,২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে সিনিয়র সহকারী পরিচালক হিসেবে শেখ আল মামুন স্যার যোগদান করার পর থেকে খামারে মহিষের মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে, মহিষের স্বাস্থ্য ভালো হয়েছে ও রাজস্ব বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। তার যোগ্য নেতৃত্বে দুই তৃতীয়াংশের বেশি শুন্য পদ নিয়ে অন্য সময়ের তুলনায় ভালো পরিচালনা করছেন ।
তার সব থেকে বড়ো গুন হচ্ছে প্রতিদিন খামারের ভিতরে অবস্থান করে খামারের সমস্ত দৈনন্দিন কাজ নিজে উপস্থিত থেকে করান,এজন্য অন্য সময়ের চেয়ে বর্তমান খামার অনেক উন্নত। বাগেরহাটের ফকিরহাট মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামারের সিনিয়র সহকারী পরিচালক শেখ আল মামুন বলেন, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দিলে ভবিষ্যতে খামারটিকে আরো সমৃদ্ধ করা সম্ভব এবং অধিক সংখ্যক ভালো জাতের বাছুর আমাদের দেশের খামারিদের মধ্যে বিতরণ করে বাংলাদেশে মহিষের জাত উন্নয়ন করা সম্ভব।।