1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ফুলবাড়ীতে ছিনতাইয়কারীর ছুরির আঘাতে চালক নিহত;গাড়িসহ ঘাতক ছিনতাইকারী আটক ১ “বাংলাদেশে প্রথম ইসলাম প্রচার হয় যে মসজিদ থেকে”

মঠবাড়িয়ায় পপুলার জেনারেল হাসপাতালের নেই কোনো বৈধতা, অনিয়মই যেখানে নিয়ম!

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৭ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, মঠবাড়িয়াঃ

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় পপুলার জেনারেল হাসপাতাল নামের একটি বেসরকারি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে উঠেছে আকাশচুম্বী অনিয়ম ও চরম অব্যবস্থাপনার অভিযোগ। হাসপাতালটি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় নূন্যতম শর্ত পূরণ না করেই দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছে তাদের চিকিৎসা বাণিজ্য।

সরেজমিনে হাসপাতালটি পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে কোনো আবাসিক চিকিৎসক (RMO) বা রেজিস্টার্ড ডিপ্লোমা নার্স নেই। নামমাত্র হাসপাতালটিতে কোনো দক্ষ জনবল ছাড়াই ভর্তি করা হচ্ছে রোগী। এমনকি জটিল অপারেশন ও সিজারের মতো স্পর্শকাতর চিকিৎসা সেবাগুলো দেওয়া হচ্ছে বাইরের চিকিৎসক এনে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

হাসপাতাল পরিচালনার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্সসহ যেসকল বৈধ কাগজপত্র থাকা বাধ্যতামূলক, তার একটিও দেখাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। নথিপত্রের বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের দায়িত্বরত ব্যক্তিরা সাংবাদিকদের সাথে চরম ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন। উত্তেজিত কণ্ঠে তারা জানান, “কাগজপত্র সিভিল সার্জন দেখবেন, আপনাদের দেখানোর বিষয় নয়।” তবে এক পর্যায়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বীকার করতে বাধ্য হন যে, বর্তমানে তাদের কাছে বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই।

নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এই ক্লিনিকে চলছে ভর্তি বাণিজ্য। স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো জরুরি পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো সক্ষমতা হাসপাতালটির নেই। অথচ সিজারের মতো অস্ত্রোপচার চালিয়ে যাচ্ছে তারা, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

হাসপাতালটির এমন বেপরোয়া কার্যক্রমে স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষকে চিকিৎসার নামে প্রতারিত করার এই সুযোগ কীভাবে মিলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী অবিলম্বে এই অবৈধ ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ করে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ এবং তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park