
নিজস্ব প্রতিবেদক, দিঘলিয়া (খুলনা):
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়নের রাধামাধবপুর গ্রামের বাসিন্দা হাফিজ মল্লিক ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
একই সঙ্গে একজন ভ্যানচালক হিসেবে পরিচিত হাফিজ মল্লিক কীভাবে কয়েক বছরের ব্যবধানে জমি কিনে তিন তলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন, সে বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসীর একাংশ।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, হাফিজ মল্লিকের তিন মেয়ে—মুন্নী, রত্না ও শিমু—দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। অভিযোগ রয়েছে, তারা ভারতে ভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে বসবাস করছেন এবং একাধিক বিয়ে ও প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত।
প্রতিবেদনের স্বার্থে ভারতের মুম্বাইয়ের একজন ব্যক্তি, যিনি নিজেকে বাদল ঘোষ নামে পরিচয় দিয়েছেন, দাবি করেন যে তিনি রত্না নামে এক নারীর প্রতারণার শিকার হয়েছেন। তার অভিযোগ, ওই নারী ভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে বিয়ে করেন এবং পরে অর্থ-সম্পদ নিয়ে চলে যান।
তবে এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া এলাকাবাসীর একাংশের অভিযোগ, তিন বোন ভারতে বিভিন্ন নামে অবস্থান করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশের বাহিরে হওয়ায় কোনো আদালতের রায়, পুলিশি মামলা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হাফিজ মল্লিক তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”
এদিকে রাধামাধবপুর এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেছেন, হাফিজ মল্লিক এর ৩ মেয়েই ভারতে ভিন্ন ভিন্ন নামের দেহ ব্যবসার সাথে জড়িত। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিৎ।বিশেষ করে হাফিজ মল্লিকের সম্পদের উৎস এবং এলাকায় প্রচলিত অভিযোগ গুলো তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান তারা। এলাকাবাসী সূত্রে আরো জানা যায় হাফিজ মল্লিকের এই তিন কন্যা কয়েক বছর যাবৎ ভারতে অবস্থান করছে।
এবং ভারতের নাগরিকত্ব রয়েছে তাদের এমনকি বাংলাদেশে রত্না নাম থাকলেও ভারতের নাগরিক হিসেবে রত্না রানী দাশ রয়েছে , এমনকি এলাকা বাসি অভিযোগ করেন এদের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে বা প্রকাশ করতে চাইলে বিভিন্ন মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে তাদের সম্মান হানি করেন।
অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।।