
মহিদুল ইসলাম (শাহীন) খুলনা থেকে,
ফরিদপুর জেলার চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার মূলহোতা,এজাহার নামীয় ১ ও ৪ নং আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬, সদর কোম্পানি (ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্প)। র্যাব ফোর্সেস নিয়মিত মামলার আসামিসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভূক্ত আসামিদের গ্রেফতার, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি গ্রেফতার এবং বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনয়নের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-০৬, সদর কোম্পানির (ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্প) একটি আভিযানিক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানাধীন কাশিয়ানী বাজার এলাকায় রাত ২২:৫০ ঘটিকার সময় এবং কাশিয়ানী থানাধীন ভাট্রাইধোবা এলাকায় রাত ১:৫০ ঘটিকার সময় পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানার চাঞ্চল্যকর রিক্তা আক্তারকে যৌতুকের জন্য শ্বশুর বাড়ির লোকজন কর্তৃক গণধর্ষণ ও হত্যা মামলার মূলহোতা, এজাহার নামীয় ১নং ও ৪নং পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, জুয়েল মীর (২৮), পিতা: জালাল মীর, রীবা বেগম (৪৭), স্বামী: জালাল মীর,উভয় থানা: বোয়ালমারী, জেলা: ফরিদপুর। মামলার এজাহার পর্যালোচনা করে জানা যায়, ধৃত আসামি জুয়েল মীর ভিকটিম রিক্তা আক্তারের স্বামী এবং আসামি রীবা বেগম ভিকটিমের শ্বাশুড়ি হয়। বিয়ের পর থেকে ভিকটিমের স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন একাধিকবার ভিকটিমকে যৌতুকের জন্য মারধর করে। ভিকটিম রিক্তা আক্তার একমাত্র সন্তানের কথা চিন্তা করে স্বামীর পরিবারের অমানবিক নির্যাতন সহ্য করেও সংসার চালিয়ে যান।
অমানবিক নির্যাতনের এক পর্যায়ে গত ২৩/০২/২০২৩ ইং তারিখ ভিকটিম রিক্তা আক্তার অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করলে ভিকটিম রিক্তা আক্তারের বোন জামাই হাফেজ আকরাম মাতব্বর বাদী হয়ে ধৃত আসামিসহ অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয়কে গোপালগঞ্জ জেলার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।।