1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ফুলবাড়ীতে ছিনতাইয়কারীর ছুরির আঘাতে চালক নিহত;গাড়িসহ ঘাতক ছিনতাইকারী আটক ১ “বাংলাদেশে প্রথম ইসলাম প্রচার হয় যে মসজিদ থেকে”

দিঘলিয়ার বারাকপুর খেয়াঘাটে ওয়ার্ক অর্ডার ছাড়াই টোল আদায়ের অভিযোগ

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬
  • ২৮ বার পঠিত

দিঘলিয়া খুলনা প্রতিনিধি।।

খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর খেয়াঘাটে চলতি মে মাসে বৈধ ওয়ার্ক অর্ডার না থাকলেও টোল আদায় চলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘাটটির ইজারা সংক্রান্ত প্রশাসনিক জটিলতার সুযোগে বর্তমানে দুইটি পক্ষ পাল্টাপাল্টি টোল আদায় করছে। এতে যাত্রী ও যানবাহন চালকদের মাঝে চরম ভোগান্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বারাকপুর খেয়াঘাটে প্রতিদিন শত শত মানুষ ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন পারাপার হয়ে থাকে। তবে মে মাসের জন্য নতুন কোনো বৈধ ওয়ার্ক অর্ডার বা ইজারা অনুমোদনের কাগজপত্র প্রকাশ না হলেও ঘাটে নিয়মিত টোল আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সকালে এক পক্ষ টোল আদায় করলে বিকেলে আরেক পক্ষ এসে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ দাবি করে টাকা আদায় করছে। এ নিয়ে মাঝে মধ্যেই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। সাধারণ মানুষ ভয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে না চাইলেও তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যাত্রী বলেন,
“আমরা বুঝতে পারছি না কাকে টাকা দেবো। একপক্ষকে টাকা দিলে পরে আরেকপক্ষ এসে আবার টাকা দাবি করে। এতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্বের ইজারার মেয়াদ শেষ হলেও নতুনভাবে ওয়ার্ক অর্ডার অনুমোদন হয়নি। অথচ সেই সুযোগে কিছু ব্যক্তি নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে টোল আদায় অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তারা কেউ স্পষ্ট বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তবে একটি পক্ষ দাবি করেছে, তারা পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঘাট পরিচালনা করছে। অপর পক্ষের দাবি, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলমান থাকায় তারাই বৈধভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

এদিকে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, বৈধ ওয়ার্ক অর্ডার ছাড়া কীভাবে প্রকাশ্যে টোল আদায় চলছে এবং প্রশাসন কেন এখনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

সচেতন মহলের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে বৈধতা যাচাইসহ অবৈধ টোল আদায় বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। অন্যথায় যে কোনো সময় বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park