1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ফুলবাড়ীতে ছিনতাইয়কারীর ছুরির আঘাতে চালক নিহত;গাড়িসহ ঘাতক ছিনতাইকারী আটক ১ “বাংলাদেশে প্রথম ইসলাম প্রচার হয় যে মসজিদ থেকে”

ডুমুরিয়ায় আপারভদ্রা অববাহিকার জলাবদ্ধতা দূরীকরণে জনগণের প্রস্তাবনা বিষয়ক সাংবাদিক সম্মেলন

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৮২ বার পঠিত

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।
মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি‌ সকাল ১১টায় ডুমুরিয়ার ‌চুকনগর ট্রেড স্কুল, আপার ভদ্রা অববাহিকার পানি কমিটির আয়োজনে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন‌ উত্তরনের আপার‌ভদ্রা অববাহিকা পানি কমিটির আহ্বায়ক মোঃ রুহুল আমিন, কেন্দ্রীয় পানি কমিটির সহ সভাপতি ‌অধ্যক্ষ আব্দুল মতলেব‌,উত্তরনের প্রতিনিধি ‌মোঃ‌ হাসেম আলী, উপস্থিত ছিলেন দিলিপ কুমার সানা,শেখ সেলিম আক্তার স্বপন,‌মীর ‌জিল্লুর রহমানসহ পানি কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য দীর্ঘ প্রায় ৪০ বৎসর যাবত আপারভদ্রা অববাহিকায় জলাবদ্ধতা সমস্যাটি অব্যাহত আছে। আপারভদ্রা নদীর সাথে যুক্ত নরনিয়া লুইসগেট এলাকা, বুড়ীভদ্রা ও হরিহর নদীর ৩৩০০০ হেক্টর এলাকার পানি নিষ্কাশিত হয় আপারভদ্রা নদীর মাধ্যমে। এই নদীর উপর নির্ভরশীল জনসংখ্যার সংখ্যা প্রায় ৫ লক্ষাধিক। পানি নিষ্কাশনের প্রশাসনিক এলাকা যশোর জেলার মনিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলা, সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলা এবং খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলা। আপারভদ্রা অববাহিকার পানি এসে যুক্ত হয় খর্নিয়া ব্রীজের ১ কিলোমিটার উজানে রানাই ত্রিমোহনায়। আপারভদ্রা ও ভবদহ এলাকার হরিনদী রানাই ত্রিমোহনায় এসে এই যুক্ত প্রবাহ তেলিগাতী-ঘ্যাংরাইল নদীর মাধ্যমে বারআড়িয়া হয়ে শিবসা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।আপারভদ্রা, বুড়ীভদ্রা ও হরিহর নদী বহুবার খনন করা হয়েছে। কিন্তু খনন কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার কারণে নদী খননের প্রত্যাশিত ফলাফল পাওয়া যায় না। ১-২ বৎসরের মধ্যে নদী আবারও পলি দ্বারা ভরাট হয়ে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায়। এ ব্যাপারে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী ডিপার্টমেন্টের প্রতি জনগণ আদৌ সন্তুষ্ট নয়। জনগণ দাবী উঠায় যে, দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নদী খনন কাজ সম্পন্ন করতে হবে। জনগণের দাবীর প্রেক্ষিতে চলতি বৎসরের নদী খননের কার্যক্রম সেনাবাহিনীর উপর ন্যস্ত করা হয়েছে। জনগণ খুবই আশাবাদী যে, সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে কার্যক্রমের মান খুবই ভালো হবে। অতীতে আমরা দেখেছি প্রকল্প কার্যক্রম সময়মতো শুরু এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হয় না, নদী খননের যে ডিজাইন সেটি ঠিকমতো অনুসরণ করা হয় না এবং নদী খননের ক্রস সেকশনের বাঁধগুলো যথাযথভাবে অপসারণ করে লেভেলিং করা হয় না। তাছাড়া উত্তোলিত মাটি ব্যবস্থাপনা একটা বড়ো ধরণের সমস্যা, সুব্যবস্থাপনার অভাবে এ মাটি বর্ষাকালে আবার ধূয়ে এসে নদীতে জমা হয়।এ বছর আপারভদ্রা নদী ১৮.৫ কিমি. এবং ৩৫ কিমি. হরিহর নদী খনন করা হবে। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে রানাই ত্রিমোহনায় কাশিমপুরে আপারভদ্রা নদীর উপর ক্রসবাঁধ দেওয়া হয়েছে। এতে অববাহিকা এলাকায় ব্যাপকভাবে বোরো চাষাবাদে বিঘ্ন ঘটছে। সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গড় ৫০-৫৫% জমি চাষাবাদের আওতায় আসবে। পানি নিষ্কাশনের জন্য যদি আরও ২০-২৫ দিন সময় পাওয়া যেতো তাহলে অধিকাংশ জমি চাষাবাদের আওতায় আসতো। নদী খননের মাটি সব পাবলিক জমির উপর রাখা হচ্ছে। তাদের ক্ষতিপূরণের কোন ব্যবস্থা প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। পূর্বে উত্তোলিত মাটি যে সব জমির মালিকদের জমিতে রাখা হতো তারা এ মাটি তাদের প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারতো। ফলে ক্ষতিপূরণ কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হতো। কিন্তু চলতি কার্যক্রমে নিয়ম করা হয়েছে উত্তোলিত মাটি জমির মালিক ব্যবহার করতে পারবে না। এতে এলাকার মানুষ ক্ষুদ্ধ, এলাকাবাসীর দাবী, ‘হয় তাদের মাটি ব্যবহার করতে দেওয়া হোক অথবা জমির ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।’ তাছাড়া খনন কাজের জন্য নদী বেঁধে দেওয়ার পূর্বে পানি সেচ কাজ সম্পন্ন করার জন্য প্রকল্পে বরাদ্দ রাখা উচিৎ ছিল বলে জনগণ মনে করে। খর্নিয়া ব্রিজের নিম্নে ইতিমধ্যে তেলিগাতী-ঘ্যাংরাইল নদীর উপর ক্রসবাঁধ দেওয়ার কাজ শুরু করা হয়েছে। এখন পলি মৌসুম চলছে, দ্রুত ক্রসবাঁধের নিম্নে পলি জমে নদী ভরাট হবে। প্রকল্পের পরিকল্পনা ক্রসবাঁধের নিম্নে কুলবাড়িয়া সুইসগেট পর্যন্ত ৫কিমি. নদী খনন করা হবে। জনগণের আশংকা কুলবাড়িয়ার নিম্নে ঘ্যাংরাইল নদীও ভরাট হবে।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park