1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ফুলবাড়ীতে ছিনতাইয়কারীর ছুরির আঘাতে চালক নিহত;গাড়িসহ ঘাতক ছিনতাইকারী আটক ১ “বাংলাদেশে প্রথম ইসলাম প্রচার হয় যে মসজিদ থেকে”

চোখ বাঁধা অবস্থায় মাস্ক পরে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন মঠবাড়িয়ার ছেলে সিফাত

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ৮২ বার পঠিত

পিরোজপুর প্রতিনিধি:

চোখ বাঁধা অবস্থায় দ্রুততম সময়ে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরে গিনেস বুকে নাম তুলেছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ছেলে সিফাত আকন।১০টি মাস্ক পরতে তাঁর সময় লেগেছে ১০ দশমিক ৩২ সেকেন্ড। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এই রেকর্ডের জন্য আবেদন করেন তিনি। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্বীকৃতি আসে গত ২৮ এপ্রিল।বছর চারেক আগে পত্রিকায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস–সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন সিফাতের চোখে পড়ে। কৌতূহল থেকে খোঁজখবর নিতে শুরু করেন। জানতে পারেন, বাংলাদেশেও কারও কারও এ রকম রেকর্ড আছে। সিফাতও তাই পরিকল্পনা শুরু করেন। তখন ছিল করোনাকাল। তাই মাস্কসংক্রান্ত কিছু করার কথাই সবার আগে মাথায় এসেছিল। ঠিক করেন, মাস্ক পরে রেকর্ড গড়বেন। সিফাত বলেন, ‘এই রেকর্ডটা প্রথম করেছিল একজন ভারতীয়,তিনি সম্ভবত ১১ দশমিক ৫৪ সেকেন্ডে করেছিলেন। তখনই আমি রেকর্ড ব্রেকের (ভাঙার) কথা চিন্তা করি।’কিন্তু ইচ্ছা থাকলেও কোথাও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাচ্ছিলেন না পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার এই তরুণ। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস সম্পর্কে ধারণা পেতে ফেসবুক, ইউটিউবে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করেন। সেখানেও কোনো পূর্ণাঙ্গ ‘গাইডলাইন’ মেলেনি। সিফাত জানান, যাঁরা আগে রেকর্ড করেছেন, তাঁদের ই-মেইলে বার্তা পাঠিয়ে প্রক্রিয়া জানতে চেয়েছেন। তবে ই–মেইলেও যথাযথ সাড়া পাননি। বলছিলেন, ‘মূল সমস্যাটা হলো ইনফরমেশন।গাইডলাইনটা ঠিকমতো পাওয়া যায় না। আর প্রসেসটা অনেক লম্বা,সবমিলিয়ে প্রায় ৯ মাস লাগে।’উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পর লম্বা ছুটিতে আটঘাট বেঁধে শুরু হয় অনুশীলন। সিফাত জানালেন, শুরুর দিকে ২৫-২৬ সেকেন্ড লেগে যেত। কারণ, চ্যালেঞ্জ মূলত দুটি। প্রথমত চোখ বাঁধা থাকার কারণে মাস্ক হাতে তুলে নিতে সময় লেগে যায়। দ্বিতীয়ত, মাস্কটি ঠিকভাবে পরাও কঠিন। অনুশীলনের সময় মা, ছোট ভাই আর বন্ধু ইমনের উৎসাহ পেয়েছেন সিফাত।১৮ জানুয়ারি প্রয়োজনীয় নথিসহ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের জন্য আবেদন করেন এই তরুণ। তিন মাস পর ২৮ এপ্রিল রাতে ই-মেইলে রেকর্ডকে স্বীকৃতি দেয় গিনেস। খবর শুনে সিফাতের চেয়েও বেশি খুশি হয়েছিলেন তাঁর মা।পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সিফাতের বাড়ি। তিনি উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে পড়তে চান। সিফাতের বাবা আবদুল জলিল বনরক্ষীর চাকরি করেন মা বেগম সুরমা গৃহিণী। সামনে সিফাতের আরও রেকর্ড গড়ার ইচ্ছা। এক মিনিটে সর্বোচ্চসংখ্যক মানুষকে জড়িয়ে ধরার রেকর্ড নিয়ে ভাবছেন তিনি। করতে চান ১ মিনিটে সর্বোচ্চ ‘হ্যান্ডশেক’-এর রেকর্ডও।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park