
খুলনা জেলা প্রতিনিধি,
গত ১১ নভেম্বর সোমবার
এলাকার এক সময়কার ডাকাত ও চিহ্নিত সন্ত্রাসী রনজিত তরফদার ও তার সহযোগী বিশ্ব তরফদার, উৎপল, পলাশ, রবীন্দ্রনাথ সহ অজ্ঞত পরিচয়ধারী কর্তৃক খুলনা বটিয়াঘাটা উপজেলার গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি চিন্ময় রায় গুরুতর আহত অবস্থায় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি।
সূত্রে প্রকাশ
গত সোমবার রাত ৮ টার দিকে ভিকটিম চিন্ময় রায় ও শিশির মন্ডল সুকদাড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির পাশে চায়ের দোকানে পৌছালে পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসী রনজিত তরফদার ও তার সহযোগীরা হাতুড়ি, চাকু, দা, বাঁশের লাঠি নিয়ে আচমকা চিন্ময় এর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তার মাথায়, পিঠে আঘাত করে ছুরি চালায় ।
পরে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তারা লাঠি পেটা করে ও কিল ঘুষি মারে। মুহূর্তে রক্তপ্রবাহ হতে থাকে। রক্তাক্ত অবস্থায় এলাকাবাসী তাকে ধরে নিয়ে প্রথমে স্থানীয় বাজারে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নেয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহরে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তখন তার ভাই পলাশ অন্যদের সহোযোগীতায়,খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, ১২ ঘন্টা পার না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলা সম্ভব নয়।
এ ঘটনার পর থেকে অপরাধীরা পলাতক আছে ।এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়,রনজিত এক সময়কার ডাকাত পরিচয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত ছিল।ইতিপূর্বে তার নামে একাধিক মামলা হয়েছে। বর্তমানে সে জমি দখল সহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। চিন্ময় রায় বলেন আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রকৃত ঘটনার সত্যতা যাচাই করে অপরাধীরা উপযুক্ত শাস্তি পাবে সেই আশা করছি।
এবিষয় ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হাওলাদার বলেন, যে ঘটনা ঘটেছে তা সত্যি দুঃখ জনক। তবে এলাকা বাসিদের অনুরোধে বসাবসি করে মিমাংসা করার চেষ্টা করেছি। যদি মিমাংসা না হয় তাহলে মামলা করবে।
সার্বিক বিষয় বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুর রহিম বলেন,এ ঘটনা সম্পর্কে আমাকে কেউ বলেনি, এমনকি উক্ত ঘটনায় এখনও কোন অভিযোগও দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবো।।