
মহিদুল ইসলাম (শাহীন) খুলনা থেকে,
৩০ নভেম্বর খুলনা আদালত চত্ত্বরে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের ঘটনার অন্যতম আসামি ইজাজুলকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬ । র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে, বিভিন্ন অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনয়নের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ই নভেম্বর ২০২৫ ইং বিকাল আনুমানিক ১৭:৩০ ঘটিকার সময় র্যাব-৬,
সিপিসি স্পেশাল কোম্পানির একটি আভিযানিক দল খুলনা মহানগরীর রুপসা নদীর অপর পাড়ে আইজগাতি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে জোড়া খুনের ঘটনার অন্যতম আসামি ১। মোঃ ইজাজুল হোসেন, পিতা: ফারুক হোসেন, সাং: আইজগাতি, থানা: রুপসা, খুলনাকে গ্রেফতার করে ।
গত ৩০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে খুলনা মহানগরীর আদালত চত্ত্বরের প্রধান ফটকের সামনে, প্রকাশ্য দিবালোকে একটি নৃশংস হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়, যেখানে ভিকটিম ফজলে রাব্বী রাজন (৩০) ও হাসিব হাওলাদার (৪০) নামের ২ জন ব্যক্তিকে বিজ্ঞ আদালতে হাজিরা প্রদান শেষে বের হওয়ার সময় দুপুর আনুমানিক ১২২০ ঘটিকায় সর্ব সম্মুখে গুলি করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।
মুহুর্তেই ঘটনাটি স্থানীয় জনগনের মনে ভীতির সঞ্চার করে এবং সকল প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ব্যাপক ভাবে প্রচারিত হয় এবং দেশবাসীর মনে ভীতি, শঙ্কা ও অনিরাপত্তার ছায়া ফেলে।
সংঘঠিত এ হত্যাকান্ডটি মূলত খুলনা মহানগরীতে বিদ্ধমান দুইটা সন্ত্রাসী দলের মাঝে আন্ত কোন্দল, আধিপত্য বিস্তার, শক্তিমত্তা প্রদর্শনের অসুস্থ প্রতিযোগীতার কারণে সংঘটিত হয়েছে বলে জানা যায়।
মাদকের টাকা ভাগাভাগি, চাদা উত্তোলন, এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে বিবাদের জের ধরে এই হত্যাকান্ডের সূত্রপাত। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আসামিকে খুলনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনয়নের ক্ষেত্রে র্যাবের অভিযান অব্যাহত আছে বলে র্যাব-৬ সূত্রে জানা গিয়েছে।