1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ফুলবাড়ীতে ছিনতাইয়কারীর ছুরির আঘাতে চালক নিহত;গাড়িসহ ঘাতক ছিনতাইকারী আটক ১ “বাংলাদেশে প্রথম ইসলাম প্রচার হয় যে মসজিদ থেকে”

খুলনায় বস্তাবন্দি লাশের পরিচয় মিলেছে সোনাডাঙ্গা থানার ওসির দিকনির্দেশনায় মা-কারাগরে বাবা রিমান্ডে

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬
  • ২৩ বার পঠিত

মহিদুল ইসলাম (শাহীন) খুলনা থেকে,

খুলনা নগরীর বসুপাড়ায় ১৭ বছর বয়সী মেয়ে নির্জনাকে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য। মেয়েকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার মা শিমা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেছেন। জবানবন্দী শেষে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে বাবা মো. আলীম হোসেন আকাশকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

গত ৮ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকার প্রান্তিকার ৩ নম্বর রোড থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় নির্জনার ম র দেহ উ দ্ধার করে খুলনা সদর থানা পুলিশ। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে নিহত নির্জনা সোনাডাঙ্গা মডেল থানার বসুপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. আলীম হোসেন আকাশের মেয়ে।

ঘটনার পরপরই খুলনা সদর থানার ওসি শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের ধারাবাহিকতায় প্রথমে নিহতের বাবা আকাশকে আটক করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজে একটি মোটরসাইকেলে বস্তাবন্দি ম র দেহ বহনের দৃশ্য পাওয়া যায়। স্থানীয়দের ধারণা, মোটরসাইকেলটি নিহতের বাবা আকাশের।

তদন্তের অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় এবার মা শিমাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে পুলিশ। জিজ্ঞা সাবাদের এক পর্যায়ে মা শিমা স্বেচ্ছায় বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেন। জবানবন্দী রেকর্ড শেষে আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

অন্যদিকে বাবা আকাশকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মা শিমা জবানবন্দীতে কী স্বীকার করেছেন এবং বাবা আকাশ কী তথ্য দিচ্ছেন সে বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত জানানো হয়নি। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জবানবন্দী, রিমান্ডের তথ্য ও অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় খুলনাবাসীর মধ্যে শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। মা-বাবা দুইজনের গ্রেপ্তারে ঘটনার রহস্য কিছুটা পরিষ্কার হলেও পুরো ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

অন্য দিকে খুলনা পুলিশ কমিশনার মোঃ জাহিদুর রহমান বিষয়টি সব সময় তদারকি করেছেন। যে কারণে কয়েক ঘন্টার মধ্যে প্রকৃত খুনিদের আটক করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। তিনি বলেন,সকল অপরাধীর বিরুদ্ধে পুলিশ জিরো টলারেন্স। শান্ত খুলনাকে অশান্ত করতে চাইলে তাদেরকে বিন্দু পরিমাণ ছাড় দেওয়া হবেনা।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park