1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ফুলবাড়ীতে ছিনতাইয়কারীর ছুরির আঘাতে চালক নিহত;গাড়িসহ ঘাতক ছিনতাইকারী আটক ১ “বাংলাদেশে প্রথম ইসলাম প্রচার হয় যে মসজিদ থেকে”

খুলনায় এলপিজি বাজারে নৈরাজ্য: নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নিয়ে ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা।

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৭২ বার পঠিত

( ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা )
বাংলাদেশে ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজি গ্যাসের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সম্প্রতি মার্চ ২০২৬ মাসের জন্য এলপিজির নতুন মূল্য তালিকা ঘোষণা করেছে।ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত মূল্য নির্দিষ্ট সীমার মধ্যেই থাকার কথা। কিন্তু বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রকাশ্যে এই সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অতিরিক্ত মূল্যে গ্যাস বিক্রি করছে।আজ বৃহস্পতিবার ০৬ মার্চ সকালে খুলনা মহানগরীর কেসিসি ৩১ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ লবণচরা মোক্তার হোসেন রোড বাজারে সরেজমিনে দেখা যায়, দোয়া স্টোর” নামের একটি দোকানে ১২ কেজির Aygaz এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি করা হচ্ছে ১৬৬০ টাকায়।
অথচ একই সময়ে খুলনার বাণিজ্যিক এলাকা বান্দা বাজারে একই সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২০০ টাকা কম দামে। অর্থাৎ একই শহরের ভেতরেই একেক বাজারে একেক দাম নেওয়া হচ্ছে, যা ভোক্তা অধিকার আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।স্থানীয় ক্রেতাদের অভিযোগ, দক্ষিণ লবণচরা মোক্তার হোসেন রোড বাজারে কার্যকর কোনো বাজার মনিটরিং নেই এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকি প্রায় অনুপস্থিত।
এর সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী প্রতিদিন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় এই জ্বালানি পণ্যের দাম বেশি হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।বিশ্লেষকদের মতে, বিইআরসি প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এলপিজির মূল্য নির্ধারণ করলেও মাঠপর্যায়ে যথাযথ তদারকি না থাকায় সেই মূল্য তালিকা অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর হচ্ছে না।ফলে খুচরা পর্যায়ে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করছে এবং ক্রেতারা বাধ্য হয়ে সেই বাড়তি মূল্যেই গ্যাস কিনতে হচ্ছে।এ অবস্থায় খুলনা মহানগর প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট বাজার মনিটরিং টিমের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, মূল্য তালিকা প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায়কারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এই অনিয়ম আরও বাড়বে।
সাধারণ মানুষের স্বার্থে অবিলম্বে বাজার মনিটরিং জোরদার করা এবং বিইআরসি নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোরালো দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
অন্যথায় নিত্যপ্রয়োজনীয় এই জ্বালানি পণ্যে অরাজকতা অব্যাহত থাকবে এবং সাধারণ ভোক্তাদের প্রতারণার শিকার হতে হবে প্রতিনিয়ত।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park