
খুলনা জেলা সংবাদদাতা,
খুলনা নগরীর খালিশপুরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬৯৭ বস্তা চাল ও সরকারি ১০৭টি খালি চালের বস্তাসহ আব্দুল্লা আল ফয়সাল (৩৯) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে। ২৮ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে নগরীর খালিশপুর গোয়ালপাড়া কমিউনিটি সেন্টারের একটি বাড়ি থেকে এই চাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত চালের মধ্যে ২৩৭ বস্তা সরকারি (খাদ্য অধিদপ্তরের) চাল রয়েছে। জব্দকৃত চালের বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা। গ্রেফতার আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল নগরীর বিআইডিসি রোডে ক্রিসেন্ট বাজারের মৃত ইউনুস আলীর ছেলে।
খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুর রহমান জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খালিশপুর ক্রিসেন্ট মিল গেটস্থ নগরীর গোয়ালপাড়া কমিউনিটি সেন্টারের পাশের আনিসুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ঐ বাড়ি থেকে ৬৯৭ বস্তা চাল ও ১০৭ টি খালি সরকারি চালের বস্তা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত চালের মধ্যে ২৩৭ বস্তা সরকারি (খাদ্য অধিদপ্তরের ) চাল রয়েছে।
যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা। তিনি জানান, এ সময় আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে চালের মালিক সুমন মল্লিককে পাওয়া যায়নি। ওসি আরো জানান,পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজমুস সাকিবকে খবর দেওয়া হয়। তিনি উদ্ধারকৃত চাল ও চালের বস্তা জব্দ করার নির্দেশ দিয়ে জেলা খাদ্য কর্মকর্তার হেফাজতে খুলনা সিএসডিতে দেওয়ার নির্দেশ দেন।
এ ঘটনায় মামলা প্রস্তুতি চলছে বলেও ওসি তৌহিদুর রহমান জানান। তিনি জানান এ ব্যাপারে এসআই সাইদুজ্জমান বাদী হয়ে খালিশপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতারকৃত ফয়সাল ও সুমন মল্লিক ওরফে বস্তা সুমনসহ দু’জন এজাহার নামীয় ও ৩/৪ জন অজ্ঞাত নামা আসামী। এরা দীর্ঘ দিন যাবৎ এ কাজটি করে আসছিল।
এ চক্রের সকল সদস্যকে গ্রেফতারের আওতায় আনা হবে বলে ওসি জানান। সুমন, আনিস এর বাড়ি ভাড়া নিয়ে দির্গ দিন যাবৎ এই কাজ করতো। স্থানীয় ডিলাররা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পলাতক সুমন মল্লিক অনেক ডিলারদের সাথে সখ্যতা রয়েছে । সুমন ডিলারদের মাল ক্রয় করে তা রাতের আধারে চিত্রালীসহ বিভিন্ন মার্কেটে বিক্রি করতো।
আওয়ামী দোসর ডিলাররা বিগত আমলে শোক দিবসে গরীবের চাল নিয়ে কাঙ্গালী ভোজ করতো। এখন তারা ভোল পাল্টিয়ে কতিপয় বিএনপি নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেছে। তাদের সাহসে এসব দোসরা এখন ডিলারশীপ টিকিয়ে রেখেছেন। পুলিশ চাল উদ্ধারের পর স্থানীয় এক যুবদল নেতাকে দৌড় ঝাঁপ করতে দেখা যায়।
ওই যুবদল নেতার শেল্টারে এসব দোসর ডিলাররা ওএমএস চাল আটা হরহামেশা গরীব মানুষকে না দিয়ে বাইরে বিক্রি করে দেয় বলে সূত্রটি জানায়। একটি সুত্রে জানাগেছে,খুলনা ওএমএস এখন নিয়ন্ত্রণ করছে আওয়ামী দোসর খুলনা আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্তক নিজেই। গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে অভিযোগ রয়েছে তিনি সব সময় ওএমএস নিয়ে বাইরে বাইরে থাকেন। অফিসে তো বসেনও না এমনকি কারো ফোনও রিছিপ করেন না।।