1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ফুলবাড়ীতে ছিনতাইয়কারীর ছুরির আঘাতে চালক নিহত;গাড়িসহ ঘাতক ছিনতাইকারী আটক ১ “বাংলাদেশে প্রথম ইসলাম প্রচার হয় যে মসজিদ থেকে”

কেএমপি গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কর্তৃক শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর অন্যতম সহযোগী কসাই লিটন ও রিফাতকে গ্রেফতার সংক্রান্তে ব্রিফিং অনুষ্ঠিতঃ কেএমপি

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬
  • ৩২ বার পঠিত

নিউজ ডেস্ক ঃ

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে মহানগরীতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংসহ সকল ধরনের অপরাধ দমনে কেএমপির সকল ইউনিট সমন্বিতভাবে নিয়মিত চেকপোস্ট, বিশেষ অভিযান ও চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী ও অন্যান্য অপরাধীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে মোঃ লিটন মীর ওরফে “কসাই লিটন” (৪০), পিতা-আব্দুল রশিদ মীর, সাং-আহমেদ মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া, লোহাপট্টি মোড়, শেখপাড়া, সোনাডাঙ্গা, এবং তার সহযোগী মোঃ রিফাত হোসেন (২৩), পিতা-আইয়ুব আলী, সাং-পৈপাড়া বিসমিল্লাহ মহল্লা, থানা-সোনাডাঙ্গা, খুলনাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

কেএমপি ডিবি কার্যালয়ে তাদের গ্রেফতার সংক্রান্তে অদ্য সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিবি) জনাব মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া। তিনি জানান, গ্রেফতারের পর উক্ত আসামিদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে যে, তারা “বি কোম্পানি” নামে পরিচিত একটি ব্যানারের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এবং লিটন কসাই শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করে থাকে! সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উক্ত ব্যানারের মাধ্যমে অসহায় ও দুস্থ ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা প্রদান, বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরণ এবং জনকল্যাণ মূলক কর্মকাণ্ডের প্রচারণা চালানোর বিষয়ে, গোয়েন্দা তথ্য, ডিজিটাল আলামত এবং অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণে এসব কার্যক্রমের আড়ালে সংঘবদ্ধভাবে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদকসহ সকল অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া এই অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আইন অমান্যকারী যে-ই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park