1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ফুলবাড়ীতে ছিনতাইয়কারীর ছুরির আঘাতে চালক নিহত;গাড়িসহ ঘাতক ছিনতাইকারী আটক ১ “বাংলাদেশে প্রথম ইসলাম প্রচার হয় যে মসজিদ থেকে”

ঈদ উল আজহাকে সামনে রেখে দিঘলিয়ায় ছুরি-চাপাতি তৈরিতে ব্যস্ত কামার শিল্পীরা

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬
  • ৩৪ বার পঠিত

আবিদ আজাদ দিঘলিয়া প্রতিনিধিঃ

পবিত্র ঈদূউল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশু জবেহ করা ও মাংশ প্রস্তুততিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামারশিল্পীরা।
দিঘলিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, দিঘলিয়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ও হাটে-বাজারে কামার শিল্পীরা পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতের জন্য প্রয়োজনীয় দা, চাপাতি, ছুরি ও বঁটি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ সকল হাতিয়ারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এখন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে তাদের কর্মযজ্ঞ।
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার পানিগাতী গ্রামের বাঁশেরহাট বটতলা মোড়ের কামারশিল্পী গৌতম কুমার লোহা ও পিতলের তৈরি বিভিন্ন ধরনের ছুরি, চাপাতি ও কোরবানির সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। স্থানীয় বাজারে তার তৈরি ধারালো ও টেকসই সরঞ্জামের বেশ চাহিদা রয়েছে।
গৌতম কুমার এ প্রতিবেদককে বলেন, ঈদুল আজহা সামনে রেখে কয়েক সপ্তাহ ধরেই অর্ডারের চাপ বেড়েছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ কোরবানির জন্য ছুরি ও চাপাতি তৈরি করতে আসছেন। পুরোনো সরঞ্জামেও ধার দেওয়া ও মেরামতের কাজ চলছে পুরোদমে।
সূত্র আরও জানাযায়, কামার পল্লীতে আগের মতো কাজ না থাকায় অনেকে তাদের পেশা ছেড়ে দিয়েছেন। আবার অনেকে পেরেক, পাতামের কাজ করে জীবন যাত্রার ব্যয়ভার নির্বাহ করছেন। এলাকায় কাঁচাপাট শিল্পের বিদায়ের সাথে তাদেরও শিল্পেরও ভগ্নদশা শুরু হয়েছে। পাট ব্যবসা দিঘলিয়া উপজেলা থেকে উচ্ছেদ হওয়ার সাথে সাথে শ্রমিকেরাও বেকার হয়ে পড়েছে। তাই আর এ এলাকায় কামারের ঘরে আর চাপাতি ও ছুরি তৈরি ও ধার দেওয়ার কাজ চলছে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত।

স্থানীয়রা বলছেন, আধুনিক যন্ত্রপাতির যুগেও গ্রামীণ কামারশিল্পের ঐতিহ্য এখনও টিকে আছে। বিশেষ করে কোরবানির ঈদ এলেই কামারপল্লী আবারও প্রাণ ফিরে পায়।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park