1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় তিন শিক্ষার্থীর জাতীয় পর্যায়ে চমকপ্রদ সাফল্য, প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জয় ডুমুরিয়ার টিপনা শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ‘আদর্শ গ্রাম’ হলেও মেলেনি সরকারীকরণের স্বীকৃতি দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে

খুলনায় নতুন কারাগারে শনিবার থেকে বন্দী স্থানান্তর

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৬৩ বার পঠিত

(মোঃ সোহেল রানা)

খুলনায় নতুন নির্মিত কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রথম ধাপে বন্দী স্থানান্তরের কার্যক্রম আগামী শনিবার (২৬ অক্টোবর) থেকে শুরু হচ্ছে। প্রথম ধাপে ১০০ জন বন্দীকে স্থানান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) খুলনা কারাগারের জেলার মুনির হোসেন বলেন, নতুন কারাগারে বন্দী স্থানান্তরের মাধ্যমে পুরনো কারাগারের অতিরিক্ত চাপ অনেকটাই কমে যাবে।বর্তমানে পুরনো কারাগারে ১ হাজার ৪০০ এর বেশি বন্দী রয়েছে, যা ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি।নতুন কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তরের পর মেট্রোপলিটন এলাকার বন্দীরা পুরনো কারাগারে এবং জেলা এলাকার বন্দীরা নতুন কারাগারে রাখা হবে।রূপসা বাইপাস সড়কের জয়বাংলা মোড় সংলগ্ন প্রায় ৩০ একর জমির ওপর নির্মিত নতুন কারাগারটি সর্বোচ্চ ৪ হাজার বন্দী ধারণ করতে সক্ষম।প্রথম পর্যায়ে প্রায় ২ হাজার বন্দীকে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।২০১১ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়।শুরুতে বাজেট ধরা হয়েছিল ১৪৪ কোটি টাকা, তবে পরবর্তীতে বিলম্ব ও প্রকল্প সংশোধনের কারণে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ২৮৮ কোটি টাকায়।২০১৬ সালের জুনে নির্মাণকাজ শুরু হলেও করোনা মহামারিসহ নানা জটিলতায় একাধিকবার সময়সীমা বাড়ানো হয়।নতুন কারাগারে পুরুষ, নারী, কিশোর ও দণ্ডপ্রাপ্ত বন্দীদের জন্য আলাদা ব্যারাক, ৫০ শয্যার হাসপাতাল, বন্দীর সন্তানদের জন্য স্কুল ও ডে কেয়ার, মোটিভেশন সেন্টার, হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ শেড এবং বিনোদন– সাংস্কৃতিক সুবিধা থাকছে।সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার রশিদুল ইসলাম জানান, মোট ৫২টি কাঠামো নির্মিত হয়েছে, তবে কিছু কাজ এখনও চলমান।বাকি কাজ দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করছি।কারা কর্মকর্তারা আশা করছেন, আধুনিক এই কারাগার খুলনায় বন্দী ব্যবস্থাপনায় নতুন যুগের সূচনা করব যেখানে নিরাপত্তার পাশাপাশি বন্দীদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park