1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দিঘলিয়া প্রেসক্লাব সদস্য অধ্যাপক লোকমান হোসেনের পিতার মৃত্যুতে প্রেসক্লাবের গভীর শোক মির্জাপুর ও সাজিয়াড়া সড়ক মেরামত: ডুমুরিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহজাহান জমাদ্দারের প্রশংসনীয় উদ্যোগ ডুমুরিয়ায় তিন শিক্ষার্থীর জাতীয় পর্যায়ে চমকপ্রদ সাফল্য, প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জয় ডুমুরিয়ার টিপনা শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ‘আদর্শ গ্রাম’ হলেও মেলেনি সরকারীকরণের স্বীকৃতি দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত

মানুষ ইলিশের স্বাদ ভুলছে বসেছে 

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৫
  • ১২০ বার পঠিত

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া খুলনা বাংলার চেতনা নিউজ।

মানুষ ইলিশের স্বাদ ভুলতে বসেছে।বাংলাদেশে এবার এর স্বাদ নেয়া বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভরা মৌসুমেও বাজারে ইলিশ অনেক কম। আকাশছোঁয়া দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।
একটি এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২৫শত টাকার ওপরে। বাজারে মাঝারি সাইজের ১২শত টাকার নিচে কোনো ইলিশ নেই। যা সাধারণ মানুষের কেনার নাগালের বাইরে। মানুষের মতে মাছের রাজা এই লোভনীয় ইলিশের স্বাদ নিতে ভুলে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
ইলিশ ধরার জেলে বা রাজ বংশি যারা ইংলিশ সাথে সম্পৃক্ত তারা বলছেন, এবার সাগরে ইলিশ মাছের উৎপাদন ভালো। কিন্তু জেলেদের জালে ধরা পড়ছে কম। এর মধ্যে বড় মাছ আরো কম। এ কারণে বাজারে ইলিশের সরবরাহ কম, দাম বেশি। যা বিগত বছরগুলোকে ছাপিয়ে গেছে। বিক্রেতারা বলছেন, এবারের মতো আগে এতো বেশি দাম ছিল কিনা তারা স্মরণ করতে পারছেন না। স্মৃতি হাতড়েছেন ক্রেতারাও। তবে বাজার নিয়ন্ত্রণে সারা দেশে ইলিশের যৌক্তিক দাম নির্ধারণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে নির্দেশনা দেয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি ২ মাসেও। এ কারণে মধ্যস্বত্বভোগী ও সিন্ডিকেটের কব্জায় থাকা ইলিশের বাজার বেসামাল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডুমুরিয়ার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান বলছেন, ইলিশ প্রাপ্তি অমাবস্যা-পূর্ণিমা ও বৃষ্টির ওপর নির্ভর করে। ফলে অমাবস্যা ও বৃষ্টি হলে শিগগিরই অবস্থার পরিবর্তন হতে পারে। তবে সিলেটের সাদা পাথর খেকোর মত পদ্মা মেঘনা অববাহিকায় জাটকা ধরার মহোৎসব চলে বিভিন্ন সময়ে। এটা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে আগামীতে ইলিশ আরো বেশি পাওয়া যাবে। এজন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা সর্বাগ্রে প্রয়োজন। এছাড়া পদ্মা মেঘনায় পলি পড়ে ডুবো চরের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ফলে সাগর থেকে ইলিশ নদীতে কম ঢুকে। আগামী ভাদ্র ও আশ্বিন মাসে আশানুরূপ ইলিশ ধরা পড়ার আশা করছেন জেলে, আড়তদার ও মৎস্য কর্মকর্তারা। এই সময়ে মাছের দামও কমে যাবে।
চরম আয় বৈষম্যের সমাজ ব্যবস্থায় ইলিশ মাছের রাজাকে সব মানুষ ঘরে তুলতে পারবেন না এটা স্বাভাবিক। ইলিশ পাতে নিতে হলে প্রচুর অর্থ থাকতে হবে। কিন্তু অস্বাভাবিক দামে এ বছর সব ছাপিয়ে গেছে। যাদের হাতে টাকা আছে তাদেরও ইলিশ কিনতে ভাবতে হচ্ছে। ডুমুরিয়া বাজারে চাউল ব্যাবসায়ী বিশিষ্ট শেখ আব্দুস সালাম বলেন, আমার যত টাকাই থাকুক, তিন হাজার টাকা দিয়ে তো একটা ইলিশ কেনা সম্ভব নয়।
প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞার সময় নির্ধারণে যে বৈজ্ঞানিক গবেষণা হয়েছে তার নেতৃত্বে ছিলেন ইলিশ গবেষক ও মৎস্যবিজ্ঞানী ড. মো. আনিছুর রহমান। এই খ্যাতনামা ইলিশ বিশেষজ্ঞ বলেন, এবার ইলিশের দাম সত্যিই অস্বাভাবিক। এ দেশে ইলিশের প্রাচুর্য আছে। তারপরও এর এত দাম মেনে নেয়া যায় না। খুব দুর্ভাগ্যজনক।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park