1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় তিন শিক্ষার্থীর জাতীয় পর্যায়ে চমকপ্রদ সাফল্য, প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জয় ডুমুরিয়ার টিপনা শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ‘আদর্শ গ্রাম’ হলেও মেলেনি সরকারীকরণের স্বীকৃতি দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে

ডুমুরিয়ায় বিধবা নারী ও তপু বিশ্বাস সবজি চাষে স্বাবলম্বী

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫
  • ২৪৭ বার পঠিত

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।

খুলনার‌ জেলার  ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের বামুন্দিয়া গ্রামের মৃত্যু উমাপদ  বিশ্বাসের স্ত্রী একজন সফল সবজি চাষী বিধবা নারী  তপু বিশ্বাস । বামুন্দিয়া গ্রামের পিচ ঢালা রাস্তার পাশে  স্বামীর রেখে যাওয়া ৪০শতক জমিতে সবজি চাষ করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন। স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি সংসারে বড় ধরনের ভূমিকা রাখছেন।

তপু বিশ্বাস বলেন, এক সময় সংসারের কাজকর্ম শেষ করার পর অলস বসে সময় কাটাতাম। বাড়ীর পাশে‌ স্বামীর রেখে যাওয়া এক খন্ড জমিতে পটল চাষ করে বছরের ২লক্ষ টাকা  আয় করেন। বিধবা নারী সকালে ঘুম থেক উঠে পটল খেতে যেয়ে পরাগন করতে হয়। পটল লতানো প্রকৃতির উদ্ভিদ, তাই বাঁশের আনুভূমিক মাচা ও রশি দিয়ে তৈরি উলম্ব মাচায় পটল চাষ লাভজনক হয়ে থাকে। পটল একটি চাহিদাসম্পন্ন ও উচ্চ ফলনশীল সবজি। এখানকার মাটি পটল চাষের জন্য খুবই উপযোগী।

এই সবজি চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে, কৃষি অর্থনীতিতে বিরাট পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন তিনি।

এই না নারী  কৃষক নিজের পরিবারের প্রয়োজন মিটিয়ে বাজারে সবজি বিক্রি করে ভালো লাভ করেন। তখন আমার মনে একটি জেদ কাজ করলো যে পুরুষরা পারলে আমি পারবো না কেন। তখন আমার বাড়ীর পাশে‌ একজনের পরামর্শ নিয়ে শুরু করি সবজি চাষ।

তিনি আরো বলেন, আমি নিজেই সার, বীজ বপন করি, পানি সেচ দেওয়া থেকে শুরু করে ফসলের রক্ষণাবেক্ষণের সব কাজ নিজেই করি। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো আমি নিজের খেতে বিষমুক্ত সবজি উত্পাদন করে নিজের পরিবারকে খাওয়াতে পারছি। কারণ বর্তমানে বাজারের প্রতিটি সবজিতেই দেওয়া থাকে মাত্রারিক্ত সার ও কীটনাশক যা মানুষের জন্য খুবই ক্ষতিকর। আমি নিজেদের প্রয়োজন পূরণ করে স্থানীয় বাজারে এই সবজি বিক্রি করে বছরে প্রায় বছর ২লকক্ষ টাকা আয় করছি। সেই অর্থ দিয়ে নিজের সন্তানদের পড়ালেখার খরচ যোগানসহ অন্যান্য চাহিদা পূরণ করতে পারছি। আজ আমার দেখাদেখি আশেপাশের অনেক নারীরা এই সবজি চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছে। আমার কাছে পরামর্শ নিতে এলে আমি তাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা ও তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করি। তবে পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আমি আমার এই সবজি চাষের পরিসরটাকে আরো বৃদ্ধি করতে চাই। তিনি কৃষি বিভাগ থেকে কোন সহযোগিতা পাননি।।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park