1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় তিন শিক্ষার্থীর জাতীয় পর্যায়ে চমকপ্রদ সাফল্য, প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জয় ডুমুরিয়ার টিপনা শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ‘আদর্শ গ্রাম’ হলেও মেলেনি সরকারীকরণের স্বীকৃতি দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে

খুলনায় ভুয়া সাংবাদিকতার দৌরাত্ম্য চাপে পড়ছে সাধারণ মানুষ ও সরকারি দপ্তর।

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৫২ বার পঠিত

এস.এম.শামীম, দিঘলিয়া খুলনা।

খুলনা মহানগর ও আশপাশের জেলায় নীরবে কিন্তু ভয়ংকরভাবে বিস্তৃত হচ্ছে ভুয়া সাংবাদিকতার এক সংঘবদ্ধ চক্র। ফেসবুক পেইজ, ইউটিউব চ্যানেল ও নামমাত্র অনলাইন প্ল্যাটফর্ম খুলে সরকারি অনুমোদন ছাড়াই ‘সাংবাদিক’ পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ এখন আর বিচ্ছিন্ন নয়—বরং একটি সংগঠিত নেটওয়ার্কে রূপ নিচ্ছে।

অল্প খরচে ‘মিডিয়া’, বড় অংকের চাঁদা
অনুসন্ধানে জানা গেছে, কিছু গ্রুপ মাত্র কয়েকশ’ টাকার খরচে ফেসবুক পেইজ বা ইউটিউব চ্যানেল খুলে নাম দেয়—‘অনলাইন টিভি’, ‘লাইভ টিভি’, ‘ডিজিটাল নিউজ’, ‘বাংলা টিভি’ ইত্যাদি। কোনো ধরনের ডিএফপি নিবন্ধন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন কিংবা প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমের স্বীকৃতি ছাড়াই তারা নিজেদের সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে।

এই পরিচয়ের আড়ালে শুরু হয় ভয় দেখানো। কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা পারিবারিক সমস্যাকে ‘নিউজ’ বানানোর হুমকি দিয়ে হাজার থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিশেষ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে—সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, ভূমি অফিস, এলজিইডি, বন বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই এসব ভুয়া সাংবাদিকদের প্রধান টার্গেট। ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, অজানা নম্বর থেকে ফোন বা মেসেজে ‘নিউজ করবো’, ‘ঢাকা থেকে নির্দেশ এসেছে’—এমন ভাষায় চাপ সৃষ্টি করে মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে অর্থ পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

এছাড়া, গ্রামীণ এলাকাকে বিশেষভাবে টার্গেট করে এসব পেইজ ও চ্যানেলের প্রতিনিধিত্ব দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও রয়েছে।সংবাদ সম্মেলন, রাজনৈতিক কর্মসূচি কিংবা সামাজিক সংগঠনের অনুষ্ঠানে ভুয়া সাংবাদিকদের উপস্থিতি দিন দিন বাড়ছে। সামনের সারিতে জায়গা দখল, ক্যামেরা নিয়ে ঠেলাঠেলি, লাইভ করার নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি—এসব ঘটনায় বিব্রত হচ্ছেন পেশাদার সাংবাদিকরা।

একাধিক সিনিয়র সাংবাদিক জানান, এতে একদিকে অনুষ্ঠান কাভারেজ ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের কাছে প্রকৃত সাংবাদিকতার ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, অনেক ভুয়া সাংবাদিকের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতাও নেই। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরোতে না পারলেও তারা নিজেদের ‘সিনিয়র রিপোর্টার’, ‘স্টাফ রিপোর্টার’, এমনকি ‘ব্যুরো চিফ’ পরিচয় ব্যবহার করছে।

সচেতন মহলের মতে, এই প্রবণতা চলতে থাকলে সাংবাদিকতা পেশা একটি হাস্যকর ও ভয়ংকর পরিচয়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park