
মহিদুল ইসলাম (শাহীন) খুলনা থেকে,
গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানাধীন জঙ্গল মুকুন্দুপুর হইতে চাঞ্চল্যকর রাজিব শেখ হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ১নং পলাতক আসামি সাঈদ বিশ্বাসকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬, সদর কোম্পানি ও ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের যৌথ আভিযানিক দল। র্যাব ফোর্সেস নিয়মিত মামলার আসামিসহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভূক্ত আসামিদের গ্রেফতার, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী
ও মাদক কারবারি গ্রেফতার এবং বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর হত্যা ও ধর্ষণের মতো অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনয়নের ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ০২/০৪/২৬ ইং তারিখ, রাত ০৩:০৫ ঘটিকার সময় র্যাব-৬, সদর কোম্পানি ও ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানাধীন জঙ্গল মুকুন্দুপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে চাঞ্চল্যকর রাজিব শেখ হত্যা মামলার এজাহার নামীয় ১নং আসামি *১। সাঈদ বিশ্বাস (৫৫),পিতাঃ মৃত তৈয়ব বিশ্বাস,* সাং- মচন্দপুর থানাঃ চিতলমারী, জেলাঃ বাগেরহাটকে গ্রেফতার করে।
এজাহার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ধৃত আসামি সাঈদ বিশ্বাস (৫৫) ও নিহত ভিকটিমের মধ্যে স্থানীয় বিভিন্ন বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতা ছিল। উক্ত বিরোধের জের ধরে গত ২৬/০৩/২০২৬ ইং তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার সময় অনুমান ১৮:৩০ ঘটিকার সময় ১নং
আসামি মো: সাইদ বিশ্বাস এর নেতৃত্বে মামলার অন্যান্য আসামিরা জোটবদ্ধ হয়ে ধারালো রাম দা, চাপাতি, লোহার রড, লোহার হাতুড়ী, বাঁশের লাঠিসহ দেশীয় মারাত্মক অস্ত্রেসস্ত্রে সজ্জিত হইয়া পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে চিতলমারী থানাধীন চিংগড়ী গ্রামস্ত হাসান শেখের বসতবাড়ীর উঠানের মধ্যে অনধিকার প্রবেশ করিয়া ভিকটিম মোঃ রাজিব শেখকে খুন করার উদ্দেশ্যে উপুর্যুপরি আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। ভিকটিম রাজিবের মৃত্যু নিশ্চিত শেষে আসামিরা ৩০/৩৫ ঘর বাড়ী লুটপাট শেষে ভাংচুর করে ও আগুন দিয়া জ্বালাইয়া দেয় এবং ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করে। পরবর্তীত পুলিশ এবং সেনাবাহিনী সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে আসামিরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে চলে যায়।
আসামিদের মারধরের ফলে ভিকটিম রাজিব শেখ ঘটনাস্থলে মৃত্যুবরণ করিলে পুলিশ সুরাতহাল প্রস্তুত করে এবং ভিকটিমের লাশ বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ পূর্বক বাগেরহাট সদর থানায় এজাহার দায়ের করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।