1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় তিন শিক্ষার্থীর জাতীয় পর্যায়ে চমকপ্রদ সাফল্য, প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জয় ডুমুরিয়ার টিপনা শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ‘আদর্শ গ্রাম’ হলেও মেলেনি সরকারীকরণের স্বীকৃতি দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে

কুমারখালীতে এলজিইডির ঘুষবাণিজ্যে সড়ক সংস্কারে নিম্নমানের কাজ ভোগান্তিতে সাধারণ জনগণ

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
  • ৯৫ বার পঠিত

নিউজ ডেস্ক ঃ

যেখানেই সড়ক সংস্কার সেখানেই অনিয়ম। ভাগ বাটোয়ারায় মুখ থুবড়ে পড়ছে প্রকল্পের কাজ। লুটপাটের মহা উৎসবে প্রকল্পে ব্যবহৃত হচ্ছে নিম্নমানের উপকরণ। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পান্টি, নন্দলালপুর ও মহেন্দ্রপুর চলছে এলজিইডির সড়ক সংস্কারের কাজ। তিনটি সড়কের ৮ কিলোমিটার কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। পান্টি ও নন্দলালপুরের কাজে উঠেছে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ। ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের উপকরণ। ধুলোবালির উপরেই পিচ দিয়ে দায়সারা ভাবে যত্ন তত্ন করা হচ্ছে সংস্কারের কাজ। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা দুষছে এলজিইডি কর্মকর্তা ও ঠিকাদারদের। তবে মহেন্দ্রপুরের কাজের মান ভালো হলেও ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ঠিকাদার।মহেন্দ্রপুর কাজ চলার সময় কুষ্টিয়া এলজিইডির ল্যাবটেস্ট অফিসার হুমায়রা ঠিকাদারের প্রতিনিধির থেকে ৩০ হাজার টাকা নেন খবর পেয়ে মিডিয়া কর্মীরা উপস্থিত হয়। মিডিয়ার উপস্থিতি দেখে এলজিডির গাড়িচালক মঞ্জিল শেখের উপরে দায় চাপিয়ে সরে পড়েন হুমায়রা। পরবর্তীতে মঞ্জিল শেখ তার গ্রহনকৃত টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়।নন্দলালপুরের স্থানীয়রা জানান, রাস্তার কাজ ২ নম্বর করা হচ্ছে। হাটতে গেলে পায়ের আঘাতেই ভেঙে যাচ্ছে রাস্তা। যেমন তেমন করেই করা হচ্ছে কাজ।

পান্টির স্থানীয়রা জানান, কাজ সম্পূর্ণ করেছে অথচ হাত দিয়ে বা লাঠি দিয়ে খোঁচা দিলে নিমেষে উঠে যাচ্ছে পিচ ঢালায়ের রাস্তা।মহেন্দ্রপুরের স্থানীয়রা জানান, কাজের মান ভালো হয়েছে। কাজ গুলো এভাবে করলে রাস্তা দ্রুত নষ্ট হবে না, সেই সাথে আমাদেরকেও ভোগান্তিতে পড়তে হবে না।ঠিকাদার আব্দুস সামাদ খান জানান, থানা ইঞ্জিনিয়ার পরিদর্শনে আসলেই দিতে হয় ৪০০০ টাকা, সাব ইঞ্জিনিয়ার আসলে ২৫০০ টাকা, সাইড অ্যাসিস্ট্যান্ট আসলে ১০০০ টাকা। আমরা এত সর্বস্বান্ত হতে পারি না। আমার কাজে ইঞ্জিনিয়ারকে অতিরিক্ত ঘুষ দিতে অস্বীকার করার কারণে তিন ইঞ্চি এজিং এ ৫ ইঞ্চি এজিং করিয় নিয়েছে। আমার ৪৫ হাজার অতিরিক্ত দিতে হয়েছে। এমন অনিয়ম দুর্নীতির কারণে রাস্তার কাজের মান ক্ষুন্ন হচ্ছে। আমি সর্বোচ্চ ভালো কাজ সম্পূর্ণ করছি। কিন্তু ঘুষ না দেওয়ায় আমাকেও নানান ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। যেমন ঘুষ না দিলে কুমারখালী উপজেলা প্রকৌশলী অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ও রত্না এমডি বই আটকে রাখেন। এছাড়াও এ বিষয়ে কুষ্টিয়া এলজিডি নির্বাহী প্রকৌশলীর নিকট লিখিত আবেদনেও মেলেনি সুরাহা।ঠিকাদারদের দাবি, এলজিইডি কর্মকর্তাদের কমিশন বাণিজ্যের কাছে নিরুপায় তারা। বাধ্য হচ্ছে নিম্নমানের কাজ করতে।কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নাজমুল হক অভিযোগের বিষয়ে বলেন, ম্যান-টু-ম্যান ঠিকাদার ভেরি করে যার কারণে অনেক জায়গায় কোয়ালিটি সম্পূর্ণ কাজ করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হই।

কুষ্টিয়া এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ বলেন, আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি তদন্ত হবে তারপর কার দোষ সেভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park