1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় তিন শিক্ষার্থীর জাতীয় পর্যায়ে চমকপ্রদ সাফল্য, প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জয় ডুমুরিয়ার টিপনা শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ‘আদর্শ গ্রাম’ হলেও মেলেনি সরকারীকরণের স্বীকৃতি দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে

দাকোপে চার ধাপে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মিলিত বিশেষ অভিযান পরিচালিত

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৪৩ বার পঠিত

শেখ মাহতাব হোসেন

খুলনার দাকোপ উপজেলায় জাটকাসহ অন্যান্য মাছ ও চিংড়ির প্রাকৃতিক বৃদ্ধি ও প্রজনন রক্ষায় চার ধাপে ব্যাপক বিশেষ কম্বিং অপারেশন পরিচালনা করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয়, দাকোপ, খুলনা এবং উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দুই মাসব্যাপী এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে দাকোপ উপজেলার পশুর, শিবসা, ভদ্রা, ঢাকি, চনকুড়ি ও ঝপঝপিয়া নদীসহ বিভিন্ন নদ-নদী, খাল ও বিল এলাকায় অবৈধ জালের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। চার ধাপে পরিচালিত অভিযানের সময়সূচি ছিল—১ম ধাপ: ০১–০৭ জানুয়ারি ২০২৬- ২য় ধাপ: ১৬–২৩ জানুয়ারি ২০২৬ -৩য় ধাপ: ৩১ জানুয়ারি–০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-৪র্থ ধাপ: ১৬–২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এই সময়ে মোট ১১টি মোবাইল কোর্ট ও ৩০টি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নদী ও খাল থেকে উদ্ধার করা হয় প্রায় ৬.০৯ লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল, ৫৮টি বেহুন্দি জাল, বিপুল পরিমাণ চরপাটা জাল, চরঘেরা জাল, মশারি জাল ও অন্যান্য অবৈধ জাল (প্রায় ১৪৩ টি)। জব্দকৃত এসব জাল তাৎক্ষণিকভাবে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
এছাড়া জেলেদের নিকট থেকে অবৈধভাবে আটককৃত প্রায় ৭০ কেজি বাগদা ও পারশে রেণু জব্দ করে পুনরায় নদীতে অবমুক্ত করা হয়, যাতে প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
অভিযানে উপজেলা প্রশাসন, নৌ পুলিশ, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনী বিশেষ সহায়তা প্রদান করেন।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ কারেন্ট জাল ও অন্যান্য ক্ষতিকর জাল ব্যবহারের ফলে মাছের ডিম ও পোনা ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে মৎস্য সম্পদের জন্য হুমকি। এই ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে নদ-নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা, মাছের প্রজনন বৃদ্ধি এবং জেলেদের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ জাল ব্যবহারের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park