1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় তিন শিক্ষার্থীর জাতীয় পর্যায়ে চমকপ্রদ সাফল্য, প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জয় ডুমুরিয়ার টিপনা শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ‘আদর্শ গ্রাম’ হলেও মেলেনি সরকারীকরণের স্বীকৃতি দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে

মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি, যশোরের সাগরদাঁড়ি যশোরের সাগরদাঁড়ি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি ‌ঘুরে এসে

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৯৯ বার পঠিত

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।

‘সতত হে নদ তুমি পড় মোর মনে/ সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে। ‘ – বিদেশের মাটিতে বসে নিজের শৈশবের কপোতাক্ষ নদের কথা মনে করে কালজয়ী কবিতা লিখেছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ছিমছাম কপোতাক্ষ এখন কিছুটা ছোট হয়ে এলেও স্রোত ঠিকই আছে।
আর সেই নদীর তীর ঘেঁষে যশোরের কেশবপুর উপজেলায় আছে সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন। সবুজে ঘেরা এ এলাকায় দেখা মিলবে কবি মাইকেল মধুসুধন দত্তের বাড়ি। বাংলায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক বলা হয় যাকে। ঢুকতে নামমাত্র মূল্যে কাটতে হবে টিকিট।
ঢুকতেই দেখা মিলবে একটি সুপরিসর পুকুর ও মার্বেলে খচিত কবির সংক্ষিপ্ত জীবনী।
এরপর আছে কবির একটি আবক্ষ ভাস্কর্য। চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ছাত্র বিখ্যাত চিত্রশিল্পী বিমানেশ চন্দ্র বিশ্বাস এই আবক্ষ মূর্তিটি তৈরি করেন। যা ১৯৮৪ সালে স্থাপিত হয়। ভাস্কর্যের নিচে কবির জন্ম এবং মৃত্যু সাল ইংরেজিতে উল্লেখ আছে।
আছে একটি পুরাতত্ত্ব জাদুঘর। যেখানে শোভা পেয়েছে মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবনের দুর্লভ আলোকচিত্রসমূহ, নিজহাতে লেখা ডায়েরির খণ্ডাংশ, অর্থ সাহায্য চেয়ে কবির লেখা চিঠি এবং কবির পরবর্তী প্রজন্মের ইতিহাস।
এখানে দেখতে পাবেন কবির নিজহাতে লেখা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরসহ বিভিন্ন গুণীজনের কাছে পাঠানো চিঠিপত্র এবং তৎকালীন জমিদারদের ব্যবহার্য দ্রব্যাদি।
জাদুঘর ও মন্দিরের সামনে আছে সুদৃশ্য ফুলের বাগান। বছরের সব সময়ই ‍ফুলে শোভিত থাকে বাগানটি। বাড়ির ঠিক মাঝখানে রয়েছে একটি দুর্গামন্দির। প্রতিবছর খুব জাঁকজমক করে দুর্গা পূজা করা হতো।
বাড়ির চারপাশ ঘিরে গাছগাছালির যেন শেষ নেই। পাওয়া যাবে অনেক পাখির আনাগোনা। পর্যটকরাই যেন এ নির্জনতায় এখন একমাত্র প্রাণের সাক্ষী।ছিমছাম গোছানো পরিচ্ছন্ন এ মধুপল্লী যে কারও মন ভালো করে দেবেই।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park