1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় তিন শিক্ষার্থীর জাতীয় পর্যায়ে চমকপ্রদ সাফল্য, প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জয় ডুমুরিয়ার টিপনা শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ‘আদর্শ গ্রাম’ হলেও মেলেনি সরকারীকরণের স্বীকৃতি দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে

বিলুপ্তপ্রায় খেজুর গাছ ও রসসংগ্রহ দিঘলিয়ায় খেজুর রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ইয়ার আলী

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১২৮ বার পঠিত

আবিদ আজাদ দিঘলিয়া প্রতিনিধি,,,,

‘‘দিঘলিয়ার যশ, খেজুরের রস’’ শীতের মৌসুম শুরু হতে না হতেই গাছ থেকে রস আহরণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে দিঘলিয়া উপজেলায়।
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় আখন্দ গ্রুপের (সেফ food) প্রতিষ্ঠাতার ঘের থেকে খেজুর রস সংগ্রহ করছেন ইয়ার আলী নামের এক গাছি। ইয়ার আলী তার জীবনে পথ চলার সন্ধান খুঁজতে গিয়ে খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে তা দিয়ে গুড় তৈরি করেই জীবিকানির্বাহ করছেন।
ইয়ার আলী খেজুর রস সংগ্রহ করে এক ভাগ মালিকপক্ষ আরেক ভাগ নিজে এলাকাভিত্তিক মানুষের কাছে বিক্রি করেন।
তিনি তিন মাস এভাবেই তার জীবিকানির্বাহ করে চলে এবং বাকি নয় মাস বিভিন্ন কাজে কর্মেে জড়িত থাকে। শীতের আগমনে দিঘলিয়াতে ব্যস্ত এখন খেজুর রস সংগ্রহকারী ইয়ার আলী। এ যেন প্রকৃতির কোমল স্পর্শে জেগে উঠেছে খেজুর গাছের অমৃত রস সংগ্রহকারীরা ।
গ্রামের পথে পথে গাছি ইয়ার আলী সহ আরও অনেকেই খুব ব্যস্ত তাদের হাতে ধারালো দা, পিঠে ঝোলানো মাটির হাঁড়ি নিয়ে। ভোরের আলোয় তারা উঠে পড়ে গাছে, কেটে দেয় গাছের মগজ, যাতে ফোঁটা ফোঁটা রস ঝরে পড়ে রাতের নীরবতায়।
এই রসের ঘ্রাণ মিশে যায় বাতাসে, মনকে মাতোয়ারা করে তোলে এক অপরূপ স্নিগ্ধতায়।
সকালের পাখির ডাকে শুরু হয় রস সংগ্রহের মহাযজ্ঞ। গাছি ইয়ার আলী গাছের মাথায় চড়ে, দড়ি বেঁধে নিরাপদে ঝুলে থাকে, যেন তারা আকাশের সাথে মিলেমিশে একাকার। এক ফোঁটা রসও নষ্ট হতে দেয় না, হাঁড়িতে জমা হয় সেই সুমিষ্ট অমৃত রস। সন্ধ্যায় ফিরে এসে তারা গাছ পরিচর্যা করে, কেটে ফেলা অংশ বেঁধে দেয়, যাতে পরদিন আবার রসের ধারা বয়ে চলে। দিঘলিয়া ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম থেকে অন্যান্য জনপদ রসের মহিমায় উদ্ভাসিত। রস থেকে তৈরি হয় লালি, তারপর গুড়ের পাতলা ঝোলা, দানাদার, পাটালি। প্রতিটি গুড়ের টুকরোতে মিশে থাকে গাছির ঘাম, তাদের প্রাণের উষ্ণতা। শীত যত গভীর হয়, রস তত মিষ্টি, যেন প্রকৃতি নিজেই উপহার দেয় এই মধুর বর্ষণ।
কিন্তু এই মধুরতার পিছনে লুকিয়ে আছে এক গভীর উদ্বেগ। একসময় পথে, পুকুরপাড়ে, ক্ষেতের আইলে দাঁড়িয়ে থাকত অসংখ্য খেজুর গাছ। প্রতি বাড়িতে রসের হাঁড়ি ঝুলত, গুড় তৈরি হতো পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত। গ্রামীণ জীবনের সঙ্গী ছিল এই গাছের পাতা থেকে পাটি, ডালপালা থেকে জ্বালানি।
ইয়ার আলী এ প্রতিবেদককে জানান, দিনেদিনে সব মিলিয়ে খেজুর গাছ বর্তমানে বিলুপ্তির পথে।
যে গাছ দশ বছর রস দেয়, তার সংখ্যাও দিন দিন কমছে। গ্রামবাংলার ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে যেন একটি সভ্যতার অংশ মুছে যাচ্ছে নীরবে।
ইয়ার আলীর জীবন তাগিদের চলার পথ খেজুর রস সংগ্রহ করে এক ভাগ মালিকপক্ষ আরেক ভাগ নিজে এলাকাভিত্তিক মানুষের কাছে বিক্রি করে। খেজুর গাছ পর্যবেক্ষণকালে উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park