
আবিদ আজাদ দিঘলিয়া প্রতিনিধি খুলনা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে খুলনা- ৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল দিঘলিয়ার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবং বাজারে দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগ করেন। বুধবার( ১২ নভেম্বর) বেলা ১১টায় পথের বাজারের সকল দোকানদারের সাথে সাক্ষাৎ করে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। “একটি বাড়ি একটি গাছ

সবুজায়নের অঙ্গীকার” এই স্লোগানে গাছের চারা ভ্যানেকরে নিয়ে দিঘলিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে যান এবং চারাগুলি রোপণ করেন। প্রথমে পথেরবাজার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বৃক্ষরোপণ করেন, এরপর দুপুর ২টায় ফাতেমা মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের সাথে নিয়ে বৃক্ষরোপণ শেষে মতবিনিময় করেন, সেনহাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ছাত্রীদের এবং শিক্ষকদের সাথে বৃক্ষরোপণ করেন, এরপর আলহাজ্ব সরোয়ার খান কলেজে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃক্ষরোপণ শেষে মতবিনিময় করেন।বিকাল ৪টায় সেনহাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের মাঠে নির্বাচনী সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আজিজুল বারী হেলাল বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দ্রুত নির্বাচনী তফসীল ঘোষণা করবে এবং নির্বাচনের দিন তারিখ ঠিক করবে বলে আমরা আশাবাদী। যদি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে দেরি করে, নির্বাচনের দিন তারিখ ঠিক না করে তাহলে এদেশে আবারও ৭১এর রচনা হবে। বাংলাদেশের মানুষ আবারও বিপাকে পরবে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে। আমরা চাই সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হোক এবং বাংলাদেশে শান্তি ফিরে আসুক। তিনি আরও বলেন, দিঘলিয়া উপজেলা একটি শিল্প অঞ্চল কিন্তু আজ মৃত নগরীতে পরিণত হয়েছে, বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে দেশের অর্থনীতির পরিবর্তন করবো, আমরা বলেছি ১ কোটি বেকার এর চাকরির ব্যবস্থা করবো, ফ্যামিলি কার্ড, রেশন কার্ড এবং হেলথ কেয়ার ইউনিট গঠন করবো, আমরা সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা করবো, আমরা দিঘলিয়া, রুপসা, তেরখাদায় ব্রিজ নির্মাণ করে নদীর এপার ওপার সংযোগ ঘটাব, একটি রাজনৈতিক দল তাদের অপকর্মের জন্য দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, দেশের জনগণ ও আওয়ামী লীগ চিন্তা করবে তারা নির্বাচন করবে কিনা। পূর্বে আওয়ামীলীগ যেমন জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে বিএনপিকে চাপে রেখে নিজেরা নিজেরা আমি ডামি নির্বাচন করে ক্ষমতায় যেতে চেয়েছিল ঠিক একইভাবে জামায়াতও প্রথমে আওয়ামিলীগ পরে জাতীয় পার্টি বা অন্য সকল দলকে নিষিদ্ধ করে দিয়ে জামাত একা রাজনৈতিক দল হিসেবে থাকতে চায়। জামায়াত প্রথমে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়েছে আবার নির্বাচন পিছাতে চায়, আপনারা দেখেছেন ডাকসু, জাকসু,রাকসুতে তাদের শিবির জিতে গেছে তাদের ধারণা ছিলো সংসদ নির্বাচনে তাদের জোয়ার উঠবে কিন্তু যখন বিএনপি দলীয় মনোনয়ন দিলো বিএনপির প্রার্থীরা হাটে বাজারে নেমে গেলো তখনই পরিবেশ পালটে গেলো, জামায়াত দেখলো বিএনপির সাথে ভোটে জিততে পারবেনা, এখন তারা আবার নির্বাচন পিছাতে চায়। খুলনা -৪ আমার নির্বাচনী এলাকায় আপনারা বৃক্ষ রোপণ করবেন, আমাদের এই একটি বাড়ী একটি গাছ সবুজায়নের অঙ্গীকার প্রকল্প চলমান থাকবে। সুধী সমাবেশে দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ সাইফুর রহমান মিন্টুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু, শেখ আব্দুর রশিদ, মনিরুল হক বাবুল, এনামুল হক সজল, দিঘলিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব মল্লিক, মোজাম্মেল শরিফ, মোল্লা নাজমুল হক, মোল্লা মনিরুজ্জামান, মোল্লা বেল্লাল হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, আব্দুল হাই, শেখ মোসলেম উদ্দিন, খন্দকার ফারুক হোসেন, হোসেন আলী, কুদরতে এলাহী স্পিকার, আব্দুল কাদের জনি, মোহাম্মদ আলী টুটুল, গাজী মোঃ মনিরুল ইসলাম, হিমেল, সাজ্জাদ, আবিদ, নয়ন, ইমন, হাসিব, সৌরভ, আনোয়ার, শফিউদ্দিন শাফি, মুকিত মীর,নিপু, আলম চৌধুরী, বাদশা গাজি, বাবুল প্রমুখ। নির্বাচনী প্রচারণা মাগরিব বাদ ফরমাইশখানা মিতালী সংঘ মাঠে দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে শেষ হয়।।