1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৬:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় তিন শিক্ষার্থীর জাতীয় পর্যায়ে চমকপ্রদ সাফল্য, প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জয় ডুমুরিয়ার টিপনা শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ‘আদর্শ গ্রাম’ হলেও মেলেনি সরকারীকরণের স্বীকৃতি দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে

মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান (ভূয়া) পরিচয় দিয়ে অভিনব প্রতারনা

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২১৫ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,বাংলার চেতনা নিউজ।

Centre For Enforcement of Human Rights and Legal Aid (CEHRLA) নামক একটি মানবাধিকার সংগঠনের স্ব-ঘোষিত ভূয়া চেয়ারম্যান মো: মাহমুদুল হাসান মাহমুদের প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাহমুদুল হাসান নামের ঐ প্রতারক সারা বাংলাদেশে কমিটি গঠন, কার্ড বানিজ্য, ওকিটকি সরবরাহ এবং মানবাধিকার ড্রেস দেওয়ার কথা বলে গ্রমের সহজ সরল মানুষকে প্রতারিত করে চলছেন। শুধু তাই নয় তার বিরুদ্ধে রয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সচিবের সিলমোহর ও জাল সাক্ষর করার গুরুতর অভিযোগ। আর এ সবই তিনি করেছেন Centre For Enforcement of Human Rights and Legal Aid (CEHRLA) এর ভূয়া চেয়ারম্যান সেজে। সংস্থার সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান খুলনার ফুলবাড়ি গেটের শেখ শাহিন হোসেন সহ অমিত তালুকদার, মোঃ রফিকুল ইসলাম,মোঃ জুসেল, মাহবুবুল আলম সবুজ, মোঃ আল আমিন ও জাহারুল ইসলাম এর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি “Centre For Enforcement of Human Rights and Legal Aid” (CEHRLA) যাকিনা জয়েন্ট স্টক থেকে ১৯৯৮ সালে নিবন্ধন করা। যার নম্বর S-1934(110)/98। এই সংস্থার চেয়ারম্যান কাজী ফয়জুল হক মৃত্যু বরন করার পর থেকে সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এর মধ্যে পরিচালনা পর্ষদের অনেকেই মারা যান।এই বিষয়টা জানতে পেরে কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার জোগ সাজেসে মাহমুদ নিজেকে এই সংস্থার চেয়ারম্যান ঘোষণা দিয়ে ৬৮ হাজার গ্রাম বাংলার মানুষদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারনা করে চলছে।এ বিষয়ে মাহমুদুল হাসান জানান এই সংস্থার চেয়ারম্যান কাজী ফয়জুল হক তার মৃত্যুর আগে আমাকে স্ট্যাম্পে লিখিত দিয়ে গেছে যার ক্ষমতায় আমি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।কোন সংস্থা স্ট্যাম্পের মাধ্যমে কাউকে লিখিত দেওয়া যায় কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে আরজিএস এর একজন এডভোকেট বলেন এটা অসম্ভব এবং আইনবহির্ভূত। স্ট্যাম্পে লিখিত বিষয়ে সংস্থার মহাসচিব (আসল) সৈয়দ আব্দুর রহমান বলেন কাজী মাহমুদুল হাসান একজন প্রতারক ঠকবাজ। জয়েন্ট স্টক কোম্পানি ও ফার্মের নথি অনুযায়ী তার চেয়ারম্যান বা কোনো সাধারণ সদস্য পদে নাম না থাকা সত্ত্বেও তিনি নিজেকে সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছেন।খুব শীঘ্রই তাকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park