1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় তিন শিক্ষার্থীর জাতীয় পর্যায়ে চমকপ্রদ সাফল্য, প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জয় ডুমুরিয়ার টিপনা শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ‘আদর্শ গ্রাম’ হলেও মেলেনি সরকারীকরণের স্বীকৃতি দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হরিভদ্রা নদী খননেও মিলছে না সুফল: ডুমুরিয়ায় পলি অপসারণের দাবিতে ইউএনও-র কাছে গণআবেদন র‍্যাব-৬,যশোর শার্শায় পৃথক ২ অভিযানে ২৬৯ বোতল উইনকেরেক্স এবং ৭৪৪ বোতল স্কাফসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে

ফুলবাড়ীতে বিশিষ্ট কাপড় ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে হত্যার চেষ্টা ও স্ত্রীর অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
  • ৪০ বার পঠিত

মোঃ আশরাফুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার পৌর এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী মো.দেলোয়ার হোসেন মামুনের সাবেক স্ত্রী মিনারা পারভীন এর ইতিপূর্বে সংবাদ সম্মেলনে আনা অভিযোগের প্রতিবাদ জানিয়ে এবং প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরতে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী স্বামী মো. দেলোয়ার হোসেন (মামুন)।
তিনি দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
৪ মে(সোমবার) বেলা ১১টায় তার নিজ বাসভবনে( সুজাপর) সংবাদ সম্মলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফুলবাড়ী বাজারে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করে আসছেন এবং স্থানীয়ভাবে একজন পরিচিত ব্যক্তি । কিন্তু গত ১৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অসত্য ও মনগড়া অভিযোগ তুলে ধরেন তার স্ত্রী মিনারা পারভীন, যা তার সামাজিক ও পারিবারিক সম্মান ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমার স্ত্রীর লিখিত বক্তব্যের অভিযোগ ছিলো, আমি একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি। আমি কোনদিনও মাদকাসক্ত ছিলাম না এবং এখনো মাদকাসক্ত নই। আমার মাদকাসক্তের অভিযোগের বিপরীতে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রংপুর শাখা আমার শরীরে কোন ধরনের মাদকের অস্তিত্ব পায় নাই উল্লেখ করে সার্টিফিকেট প্রদান করেছে। আমি সকাল থেকে রাত অব্দি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে, কোনভাবেই আমার পক্ষে মাদকে জড়ানো ও পরনারীকে সময় দেওয়ার সুযোগ নেই বললেই চলে। মিনারা পারভীনকে এমন বানোয়াট বিষয়ে কুবুদ্ধি দেওয়ার জন্য, আমার করা মামলার দুই নম্বর আসামী এনসিপির নেতা জাকির হোসেন ব্যাপকভাবে প্রলুব্ধ ও উৎসাহ দান করছে। জাকির হোসেন- আমাকে ও মিনারা পারভীনকে নিয়ে বিভিন্ন রকমের পোস্ট দিয়ে আমাকে সামাজিক ও ব্যবসায়ীকভাবে মান-সম্মানের হানি করেছে বলে মনে করি। আমার স্ত্রী মিনারা পারভীন লিখিত বক্তব্যে আরও উল্লেখ করে যে. আমি নিয়মিত নির্যাতন ও শারীরিকভাবে মারধর করি। যা কখনোই সঠিক নয় । আমার দীর্ঘ বৎসরের সাংসারিক জীবনের যদি তাকে নির্যাতন করতামই বা করেই থাকি, তাহলে সে এই সংক্রান্ত কোন অভিযোগ স্থানীয় প্রতিনিধি, থানা কিংবা আদালতের কাছে অভিযোগ করেনি কেন? সে আরো উল্লেখ করেছে, আমার কন্যা সন্তানকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করি এবং তাদেরকে কোন প্রকার ভরণপোষণ দেই না। এটি সম্পূর্ণ হাস্যকর ও অবাস্তব একটি অভিযোগ। আমার সন্তানদেরকে আমি আমার প্রাণের চেয়েও ভালোবাসি। আমার সন্তানদেরকে আমি তাদের চাহিদার মত যথেষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি এবং আমার মেয়ের বেসরকারি মেডিকেলে লেখাপড়া বাবদ এ পর্যন্ত প্রায় ৮০ লক্ষ টাকা খরচ করেছি, যার ব্যাংক ডকুমেন্ট আমার কাছে রয়েছে। মিনারা পারভীন আরও অভিযোগ করে যে, সে অনেক চেষ্টা করেছে আমাকে ভালো করার জন্য, আসলে সে নিজেই পথভ্রষ্ট একজন মহিলা। সে গত ২ বছর ২ মাস পূর্বে আমার বাসা হতে ব্যবসায়ীক কাজে রাখা ৫০ লক্ষ টাকা ও ২০ভরি সোনার গহনা নিয়ে পালিয়ে যায়। সে তার লিখিত বক্তব্যে অভিযোগে করে যে, সে আমার নামে প্রায় ৮মাস পূর্বে নারী নির্যাতন মামলা করে। কিন্তু সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বিপুল অংকের টাকা ও সোনার গহনা নিয়ে পালিয়ে যাবার পরে নিজেকে রক্ষার জন্য পালিয়ে যাবার প্রায় ১বছর ৬মাস পরে ১টি যৌতুকের মামলা করে। সে তার ঐ সংবাদ সম্মেলনে নিজেই স্বীকার করে বক্তব্য দেয় যে, আমার সঙ্গে তার ২ বছর ২ মাস থেকে কোন প্রকার যোগাযোগ নাই, সেক্ষেত্রে কোন আইনে সে নারী নির্যাতন মামলা করেছে বলে- মিথ্যাচার করেছে? কারন, ২ বছর ২মাস তো আমার সংসারেই সে ছিল না, তাহলে নির্যাতন করলাম কখন? মামলাটি আসলে যৌতুক মামলা। গত ২৬.০৩.২৬ তারিখ রাতে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বাসা ফেরার পথে আমার পথরোধ করে এবং মিথ্যা অভিযোগকারী মিনারা পারভীনের ভাই, যে একজন বহুল পরিচিত চাঁদাবাজ ও নেশাগ্রস্ত জাহাঙ্গীর হাসান মিলন, ওরফে বোতল মিলন এবং সাংবাদিক নামধারী ও এনসিপির নেতা জাকির হোসেনের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল আমাকে ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে মারধর করে ও অপহরণের উদ্দেশ্যে আমার বাসার সামনে থেকে গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে যায়। এ সংক্রান্ত একটি মামলা ফুলবাড়ী থানায় দায়ের করা হয়েছে। আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছি এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে দেলোয়ার হোসেন এর বাবা আলহাজ্ব আব্দুর রাজ্জাক ও তার ছোট ভাই, আহসান হাবিব সাজুসহ বিভিন্ন গনমাধ্যম কর্মীগন উপস্থিত ছিলেন।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park