1. admin@banglarchetona.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডুমুরিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি: মাদক, চুরি ও ছিনতাইয়ের উপদ্রবে অতিষ্ঠ জনজীবন ডুমুরিয়ায় চড়া মাছের দাম, সবজি ও মাংসে স্বস্তি খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলালের উদ্যোগে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান প্রদান ফুলবাড়ীতে ভুয়া CID খান সাহেবসহ মাদক মামলার ৫ জনকে আটক করেছে থানা পুলিশ । মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ দিঘলিয়া প্রেসক্লাব সদস্য অধ্যাপক লোকমান হোসেনের পিতার মৃত্যুতে প্রেসক্লাবের গভীর শোক মির্জাপুর ও সাজিয়াড়া সড়ক মেরামত: ডুমুরিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহজাহান জমাদ্দারের প্রশংসনীয় উদ্যোগ ডুমুরিয়ায় তিন শিক্ষার্থীর জাতীয় পর্যায়ে চমকপ্রদ সাফল্য, প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জয় ডুমুরিয়ার টিপনা শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ‘আদর্শ গ্রাম’ হলেও মেলেনি সরকারীকরণের স্বীকৃতি দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

ডুমুরিয়ায় চড়া মাছের দাম, সবজি ও মাংসে স্বস্তি

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৫ বার পঠিত

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা):
খুলনার ডুমুরিয়া বাজারে বেশ কিছুদিন ধরে সবজি ও ব্রয়লার মুরগির দাম স্থিতিশীল থাকলেও উর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে বিভিন্ন ধরনের মাছের দাম। গতকাল সকালে ডুমুরিয়ার পাইকারি ও কয়েকটি খুচরা কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্রই লক্ষ্য করা গেছে।পাইকারি বাজারসূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ২০০ টাকা, পটল ৪০-৫০ টাকা, শসা ৫৫+৬০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৩৫-৪০টাকা, ওল ৮০টাকা ঝিঙে ৪০-৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা এবং লেবুর হালি ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে পরিবহণ, বিদ্যুৎ ও ইজারা খরচের কারণে দাম কিছুটা বেশি পড়ছে।এদিকে মাংসের বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ২৮০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩০০ টাকা, লেয়ার ৩০০-৩১০ টাকা, গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।তবে মাছের বাজারে গিয়ে ক্রেতাদের বেশ বিপাকে পড়তে হচ্ছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুই মাছ কেজিপ্রতি ২৫০-৪০০ টাকা, কাতল ৩৫০ও-৫৫০ টাকা, চিংড়ি ৮০০-১২০০ টাকা, ভেটকি ৪০০-৫৫০ টাকা, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০-৭০০ টাকা, তেলাপিয়া ১২০-১৬০ টাকা এবং পাঙাশ ১৫০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ১০-১৫ কেজি ওজনের বড় পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা কেজি দরে।বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য,কাঁচামাল চাষি আলো হোসেন বলেন: “উৎপাদন ও আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকায় এবার সবজির ফলন ভালো হয়েছে। আমরা সঠিক সময়ে বাজারে ফসল তুলতে পারছি বলেই সবজির বাজার দর স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রয়েছে।”উৎপাদন ও আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকায় এবার সবজির ফলন ভালো হয়েছে। আমরা সঠিক সময়ে বাজারে ফসল তুলতে পারছি বলেই সবজির বাজার দর স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রয়েছে।”কাঁচামাল ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল বলেন: “পাইকারি বাজার থেকে কাঁচামাল কিনে এনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া, বাজারের ইজারা ও বিদ্যুৎ বিল মেটাতে হয়। যে কারণে পাইকারি দরের চেয়ে খুচরা বাজারে দাম একটু বেশি রাখতে হয়। তবুও বর্তমানে সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই দাম রয়েছে।”পাইকারি বাজার থেকে কাঁচামাল কিনে এনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া, বাজারের ইজারা ও বিদ্যুৎ বিল মেটাতে হয়। যে কারণে পাইকারি দরের চেয়ে খুচরা বাজারে দাম একটু বেশি রাখতে হয়। তবুও বর্তমানে সবজির সরবরাহ ভালো থাকায় ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই দাম রয়েছে।”কাঁচামাল ক্রেতা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন: “মাছের বাজারে হাত দেওয়া না গেলেও সবজি আর মুরগির দাম হাতের নাগালে থাকায় অন্তত কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছি। বর্তমান বাজারে অন্যান্য পণ্যের যে দাম, সে তুলনায় সবজির দাম অনেকটাই স্বাভাবিক।””মাছের বাজারে হাত দেওয়া না গেলেও সবজি আর মুরগির দাম হাতের নাগালে থাকায় অন্তত কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছি। বর্তমান বাজারে অন্যান্য পণ্যের যে দাম, সে তুলনায় সবজির দাম অনেকটাই স্বাভাবিক।”মুরগির ব্যবসায়ী সেকেন্দার আলী বলেন: “খামার থেকে মুরগির সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। পরিবহন খরচ বা খাদ্যের দাম নতুন করে না বাড়ায় আমরা সোনালী ৩০০টাকা কেজিতে ২৮০ব্রয়লার বিক্রি করতে পারছি। অন্য জাতের মুরগির দামও প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে।”খামার থেকে মুরগির সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। পরিবহন খরচ বা খাদ্যের দাম নতুন করে না বাড়ায় আমরা ১৬০ টাকা কেজিতে ব্রয়লার বিক্রি করতে পারছি। অন্য জাতের মুরগির দামও প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে।”মুরগির ক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন: “মাছ কিনতে গেলে বাজেট পার হয়ে যায়। তাই প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে ব্রয়লার মুরগির ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে। বেশ কিছুদিন ধরে দাম একই জায়গায় স্থির থাকায় সাধারণ মানুষের জন্য বাজার করা কিছুটা সহজ হয়েছে।””মাছ কিনতে গেলে বাজেট পার হয়ে যায়। তাই প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে ব্রয়লার মুরগির ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে। বেশ কিছুদিন ধরে দাম একই জায়গায় স্থির থাকায় সাধারণ মানুষের জন্য বাজার করা কিছুটা সহজ হয়েছে।”

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park