1. admin@banglarchetona.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দিঘলিয়া প্রেসক্লাব সদস্য অধ্যাপক লোকমান হোসেনের পিতার মৃত্যুতে প্রেসক্লাবের গভীর শোক মির্জাপুর ও সাজিয়াড়া সড়ক মেরামত: ডুমুরিয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহজাহান জমাদ্দারের প্রশংসনীয় উদ্যোগ ডুমুরিয়ায় তিন শিক্ষার্থীর জাতীয় পর্যায়ে চমকপ্রদ সাফল্য, প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জয় ডুমুরিয়ার টিপনা শেখ আমজাদ মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ‘আদর্শ গ্রাম’ হলেও মেলেনি সরকারীকরণের স্বীকৃতি দিঘলিয়ার হাজীগ্রামে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দিনাজপুরে র‌্যাবের অভিযানে ৩৩ হাজার বোতল যৌন উত্তেজক সিরাপসহ গ্রেফতার ৩ জন। মাচায় পোল্লার বাম্পার ফলন: ডুমুরিয়ার শাহিনুরের সাফল্যে কৃষকদের মাঝে নতুন আশা *সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৫৯৪ বোতল উইনকেরেক্সসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ সিপিসি-১সাতক্ষীরা* দিঘলিয়ায় শিক্ষাথীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খুলনা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত

খুলনা সিটির সকল ওয়ার্ডে ওএমএস চাল-আটা পেয়ে হতদরিদ্রের মাঝে স্বস্তি

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৭২ বার পঠিত

মহিদুল ইসলাম (শাহীন) বাংলার চেতনা নিউজ

খুলনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ তানভীর হোসেন এর সঠিক দিকনির্দেশনা এবং তদারকির কারণে খুলনা মহানগরীর ৩১ ওয়ার্ডে চাল-আটা নেয্য মুল্যে বিক্রি চলছে। কেসিসির ২৭ টা ওয়ার্ডে ডিলারের মাধ্যমে এবং বাকি ৪ টা ওয়ার্ডে নিজস্ব ব্যবস্হাপনায় এই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রতিদিন একটা ওয়ার্ডের জন্য ১ টন চাল এবং ১ টন আটা বরাদ্দ রয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রতি ওয়ার্ডে ২ শ জন পুরুষ মহিলা ৫ কেজি আটা এবং ৫ কেজি চাল ক্রয় করতে পারবে।

তবে সংবাদকর্মীরা অনেক ওয়ার্ডে ঘুরে দেখা যায় ৫/৪ বা ৩ কেজি করে চাল আটা দেওয়া হচ্ছে। সরজমিন ঘুরে দেখা যায় প্রতি ওয়ার্ডে লোকজন এসে হাজির হয়েছে ২৫০/৩৫০ জন। সেক্ষেত্রে সবাইকে দেওয়ার জন্য তারা এই পন্থা অবলম্বন করছে। চাল আটা নিতে আশা একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, মাল একটু কম পেলেও সবাই পাচ্ছি,এজন্য আমরা অনেক খুশি। প্রতি ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিলার হলেন,

১নং ওয়ার্ডে মেসার্স ডায়মন্ড ব্রাদাস মালিক সৈয়দ এনামুল হাসান,২নং ওয়ার্ডে মেসার্স আব্দুল্লাহ এন্টারপ্রাইজ মালিক আরমান শিকদার সেন্টু, ৩নং ওয়ার্ডে মেসার্স রওশন এন্টারপ্রাইজ মালিক শেখ রওশন মুস্তাফিজ,৪ নং ওয়ার্ডে মেসার্স এস এম ট্রেডার্স মালিক গোলাম সামদানী,৫ নং ওয়ার্ডে মেসার্স মনিরা কনস্ট্রাকশন মালিক মোঃ খবির উদ্দিন,৬নং ওয়ার্ডে মেসার্স মনোয়ারা এন্টারপ্রাইজ মালিক মনোয়ারা বেগম,৮ নং ওয়ার্ডে মেসার্স নাজমুল ট্রেডার্স মালিক সেলিম রেজা, ৯নং ওয়ার্ডে মেসার্স খান ট্র্রেডার্স মালিক,আবুল কালাম আজাদ,১১নং ওয়ার্ডে মেসার্স নোবেল এন্টারপ্রাইজ মালিক মোঃ রাসেল,১৩ নং ওয়ার্ডে শহীদ ট্রেডার্স মালিক শহিদুল ইসলাম,১৪ নং ওয়ার্ডে মেসার্স সুলতান এন্ড সায়মইয়ান এন্টারপ্রাইজ মালিক সেলিম আহম্মেদ,১৬ নং ওয়ার্ডে মেসার্স বিউটি ট্রেডার্স মালিক মোঃ হাসান,১৭ নং ওয়ার্ডে মেসাস সুলতানা এন্টারপ্রাইজ প্রোঃ সাঈয়েদুজ্জামান মোল্লা সম্রাট,১৮ নং ওয়ার্ডে মেসার্স এস এম এন্টারপ্রাইজ মালিক ওয়েদুজ্জামান ইসলাম,১৯ নং ওয়ার্ডে মেসার্স নির্মাণ এন্টারপ্রাইজ মালিক এস এম আলাউদ্দিন,

২০ নং ওয়ার্ডে মেসার্স ছালাম এন্টারপ্রাইজ মালিক আঃ ছালাম ঢালী,২১ নং ওয়ার্ডে মেসার্স কনিকা এন্টারপ্রাইজ মালিক বিদ‍্যুৎ রায়,২২নং ওয়ার্ডে মেসার্স ফাতেমা এন্টারপ্রাইজ মালিক খলিদ হোসেন রাজন,২৩ নং ওয়ার্ডে মেসার্স কাশফিয়া এন্টারপ্রাইজ মালিক মোঃ গোলাম মোর্শেদ,২৪ নং ওয়ার্ডে মেসার্স রুবেল ষ্টোর মালিক নিশাত পারভীন,২৫ নং ওয়ার্ডে মেসার্স আসাদ ষ্টোর মালিক মোঃ আসাদুজ্জামান শেখ,২৬ নং ওয়ার্ডে মেসার্স মঞ্জুয়ারা এন্টারপ্রাইজ মালিক মঞ্জুয়ারা লাভলী,

২৭নং ওয়ার্ডে মেসার্স লিভানা এন্টারপ্রাইজ মালিক লিভানা পারভীন,২৮ নং ওয়ার্ডে মেসার্স হাবিব এন্টারপ্রাইজ মালিক হাবিবুর রহমান,২৯ নং ওয়ার্ডে মেসার্স মেহেরুননেছা এন্টারপ্রাইজ মালিক মাহবুবুর রহমান, ৩০ নং ওয়ার্ডে মেসার্স আনোয়ারা এন্টারপ্রাইজ মালিক মোঃ স্বপন,৩১নং ওয়ার্ডে মেসার্স ইসমাইল ট্রেডার্স মালিক মোঃ ইসমাইল। এছাড়া নিজেস্ব ব্যবস্হাপনায় ৭ নং ওয়ার্ডের কাজল শেখ ও মতিউর রহমান, ১০ নং ওয়ার্ডের ফারুক হোসেন ও আসাদ হোসেন, ১২ নং ওয়ার্ডে জয়ন্তী বাগচি ও আঃ রশিদ গাজী, ১৫ নং ওয়ার্ডের মোমিনুল ইসলাম ও সেলিম হোসেন মিলে,চাল আটা বিক্রি এবং সুষ্ঠ ভাবে তদারকি করছেন তারা।

সার্বিক বিষয় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ তানভীর হোসেন বলেন,আমার দুজন মনিটরিং কর্মকর্তা এবং প্রতিটা ওয়ার্ডে একজন করে তদারকি কর্মকর্তা রয়েছে। তারা প্রতিদিন দুই টন চাল আটা বুঝে নিয়ে মাল বিতরণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পয়েন্টে থাকবে। তাছাড়া আমিও পয়েন্টে পয়েন্টে খোঁজখবর নিয়ে থাকি, যেনে কোনো রকম দুর্নিতী না হয়। তাছাড়া পয়েন্টে মাল পৌছানোর পর ভিডিও কলে মালের বিবরণসহ দেখে তারপর চাল আটা বন্টন করার নির্দেশ দেওয়া হয়। যত সময় পর্যন্ত মাল শেষ না হবে ততক্ষণ তদারকি কর্মকর্তা উপস্থিত থাকবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park