1. admin@banglarchetona.com : admin :
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফুলবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নবগঠিত সমবায় সমিতির নিবন্ধন সনদ প্রদান ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় বিদেশি পি”স্তলসহ গ্রে”ফতার ১ ফুলবাড়ীতে নারী উদ্যোক্তাদের হস্তশিল্পের পণ্য ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন জেলা সমবায় কর্মকর্তা ডুমুরিয়ায় জেলা পরিষদের বৃক্ষচারা বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভাইস এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেয়ে নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম দিঘলিয়ায় ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে ব্যতিক্রমী বিদায়: আবেগঘন আয়োজনে সম্মানিত হলেন প্রধান শিক্ষক মোঃ নুরুল ইসলাম সাতক্ষীরা থেকে ২৩০ বোতল উইনকেরেক্স ১৫ হাজার পিচ ট্যাবলেট ও নিষিদ্ধ ঔষধসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্রের শিল্পী-কলাকুশলীদের সমস্যা সমাধানে মতবিনিময় সভা ডুমুরিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি: মাদক, চুরি ও ছিনতাইয়ের উপদ্রবে অতিষ্ঠ জনজীবন ডুমুরিয়ায় চড়া মাছের দাম, সবজি ও মাংসে স্বস্তি

খুলনায় হার্ট ফাউন্ডেশনে: এমডির তালা, কর্মচারীরা তালা ভেঙে হাসপাতালে প্রবেশ

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৩৩ বার পঠিত

খুলনা প্রতিনিধি বাংলারচেতনা নিউজ।

খুলনার হার্ট ফাউন্ডেশন এন্ড ইনটেনসিভ কেয়ার সেন্টারে চরম অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রথম পক্ষ, ডাক্তার এস. এম. আব্দুস শামীম এর নিকট হতে দ্বিতীয় পক্ষ—নাজমুল হোসেন এবং মিজানুর রহমান মানিক ক্লিনিকটির অচল অবস্থা দূর করনে ১ বছরের লিজ নেন।কিন্তু সেই চুক্তি রক্ষা না করেই ডাক্তার শামীম গত ৪ আগস্ট ২০২৫ হাসপাতালের ফটকে খামখেয়ালী তালা ঝুলিয়ে দেন এবং ঘোষণা করেন, তিনি হাসপাতালটি আর চালাবেন না।আর এ কারণেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে লিজ নেওয়া দ্বিতীয় পক্ষ অর্থাৎ ক্লিনিক টির সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় পক্ষ নাজমুল হোসেন ও মিজানুর রহমান মানিক এর নেতৃত্বে হাসপাতালটির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হাসপাতালের সামনের ফটকের তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীগন।

তাদের বক্তব্য তারা গত ২ মাস কোন বেতন পাননি এবং বকেয়া বেতন পরিশোধ ও হাসপাতাল কার্যক্রম পুনরায় চালুর দাবি জানান।

নার্স শিরিন আক্তার বলেন, আমরা দীর্ঘ ২ মাস ধরে বেতন পাইনি।পরিবার ও সন্তানদের দেখাশোনা করা কঠিন হয়ে গেছে। হাসপাতালের কার্যক্রম পুনরায় চালু সহ আমাদের বকেয়া বেতন দ্রুত দিতে হবে।

”কর্মচারী রাশেদ মোল্লা বলেন, “হাসপাতাল বন্ধ থাকায় আমরা কাজ করতে পারছি না। আমরা চাই হাসপাতাল পুনরায় চালু হোক এবং বেতন পরিশোধ করা হোক।”

এ বিষয়ে ডাক্তার এস. এম. আব্দুস শামীম বলেন,“দ্বিতীয় পক্ষের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছিলো এটা সঠিক কিন্তু চুক্তিতে যে শর্তগুলো উল্লেখ ছিল তারা তা শতভাগ না মানায় আমি হাসপাতালটি বন্ধ করে দেই। বিষয়টি সোনাডাঙ্গা থানা অবগত আছেন বলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন। খুব শীঘ্রই বিবদমান এই পরিস্থিতি মীমাংসা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park