1. admin@banglarchetona.com : admin :
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফুলবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নবগঠিত সমবায় সমিতির নিবন্ধন সনদ প্রদান ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় বিদেশি পি”স্তলসহ গ্রে”ফতার ১ ফুলবাড়ীতে নারী উদ্যোক্তাদের হস্তশিল্পের পণ্য ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন জেলা সমবায় কর্মকর্তা ডুমুরিয়ায় জেলা পরিষদের বৃক্ষচারা বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভাইস এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেয়ে নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম দিঘলিয়ায় ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে ব্যতিক্রমী বিদায়: আবেগঘন আয়োজনে সম্মানিত হলেন প্রধান শিক্ষক মোঃ নুরুল ইসলাম সাতক্ষীরা থেকে ২৩০ বোতল উইনকেরেক্স ১৫ হাজার পিচ ট্যাবলেট ও নিষিদ্ধ ঔষধসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্রের শিল্পী-কলাকুশলীদের সমস্যা সমাধানে মতবিনিময় সভা ডুমুরিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি: মাদক, চুরি ও ছিনতাইয়ের উপদ্রবে অতিষ্ঠ জনজীবন ডুমুরিয়ায় চড়া মাছের দাম, সবজি ও মাংসে স্বস্তি

ওএমএস ডিলার পুত্র ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখমের ৬ মাসেও আসামি আটক হয়নি

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১১৭ বার পঠিত

খুলনা জেলা প্রতিনিধি,বাংলার চেতনা নিউজ।

খুলনা মহানগরীতে বিএনপি নেতার পুত্র ও কলেজ ছাত্র দলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নওফেল রহমানকে কুপিয়ে জখমের ৬ মাস অতিবাহিত হলেও কোন আসামি এখনও আটক হয়নি। উল্টো মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের হুমকি আসছে আসামীদের পক্ষ্য থেকে।

জানাগেছে,গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে আনুমানিক বিকেল সাড়ে ৫টার সময় খুলনা সদর থানার টিবি ক্রস রোডের বাসিন্দা মাহবুব রহমানের ছেলে নওফেল বিন মাহবুব কে ৯-১০ জন দুর্বৃত্ত হামলা করে মারাত্মক কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। এতে নওফেল গুরুতর আহত হন এবং শরীরের অঙ্গহানি ঘটে। এই ঘটনায় নওফেলের বাবা মাহবুব রহমান বাদি হয়ে গত ১১ ফেব্রয়ারী খুলনা সদর থানায় উপস্থিত হয়ে ৯-১০ জন অজ্ঞাত যুবকের নামে খুলনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

যার মামলা নং ১২। ঘটনার ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও মামলার কোনো আসামিকে থানা পুলিশ এখনো গ্রেফতার করতে পারিনি। এ বিষয় ভুক্তভোগী পরিবারসহ বিভিন্ন মহলে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। আহত নওফেল গণমাধ্যম কর্মীদেরকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন,তিনি অজ্ঞাতনামা আসামীদের চিনতে পেরে থানায় গিয়ে জবানবন্দি দেন। এবং মামলা হওয়ার পাঁচ মাস পর সদর থানার পাশে একজন আসামীকে দেখতে পেয়ে এই মামলার আইও এস আই শরিফুলকে ফোন করে জানালে আইও নিজে না এসে ১ঘন্টা পর পুলিশের টহল গাড়ি পাঠায়,

কিন্তু ততোক্ষনে আসামী পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় থানা পুলিশ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। আহত নওফেলের বাবা ২৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ওএমএস ডিলার,তার মা ওয়ার্ড মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা। পরিবারসহ এলাকাবাসির দাবি,দ্রুত আসামীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হইক।

এলাকা বাসি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আসামিদের গ্রেফতার পুর্বক কঠিন শাস্তির দাবি জানান। অন্য দিকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বার বার বাদি পক্ষ্যকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আহত নওফেল এর পরিবার তার ছেলের অঙ্গ হানির সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি এবং আসামিদের আটকের জন্য পুলিশ কমিশনার এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park