1. admin@banglarchetona.com : admin :
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফুলবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নবগঠিত সমবায় সমিতির নিবন্ধন সনদ প্রদান ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় বিদেশি পি”স্তলসহ গ্রে”ফতার ১ ফুলবাড়ীতে নারী উদ্যোক্তাদের হস্তশিল্পের পণ্য ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন জেলা সমবায় কর্মকর্তা ডুমুরিয়ায় জেলা পরিষদের বৃক্ষচারা বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভাইস এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেয়ে নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম দিঘলিয়ায় ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে ব্যতিক্রমী বিদায়: আবেগঘন আয়োজনে সম্মানিত হলেন প্রধান শিক্ষক মোঃ নুরুল ইসলাম সাতক্ষীরা থেকে ২৩০ বোতল উইনকেরেক্স ১৫ হাজার পিচ ট্যাবলেট ও নিষিদ্ধ ঔষধসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্রের শিল্পী-কলাকুশলীদের সমস্যা সমাধানে মতবিনিময় সভা ডুমুরিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি: মাদক, চুরি ও ছিনতাইয়ের উপদ্রবে অতিষ্ঠ জনজীবন ডুমুরিয়ায় চড়া মাছের দাম, সবজি ও মাংসে স্বস্তি

ডুমুরিয়ার নিম্নআয়ের মানুষের জীবনে গরমের তীব্রতায় নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি।

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১১ মে, ২০২৫
  • ৯৪ বার পঠিত

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।

সারাদেশে বইছে তাপপ্রবাহ। জেলা, উপজেলা শহরগুলোতে তাপপ্রবাহের এর প্রভাব পড়েছে ব্যাপক। যার ফলে অফিসগামী মানুষ, দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবনে গরমের তীব্রতায় নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি।
গরমে শ্রমজীবী ডুমুরিয়ার মানুষ হু হু করে বাড়ছে দেশের তাপমাত্রা। বিগত কয়েকদিন দেশের অধিকাংশ এলাকায় বইছে তাপপ্রবাহ। কোথাও মৃদু, কোথাও মাঝারি আবার কোথাও তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছেখুলনা জেলাসহ সারা দেশর ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রবিবার খুলনায় মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে, দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা ৩৮-৩৯.৫ ডিগ্রি হলে সেটাকে মাঝারি তাপপ্রবাহ ধরা হয়। ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি তীব্র তাপপ্রবাহ ধরা হয়। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, তাপমাত্রার এ ঊর্ধ্বগতি শনিবার,


মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯.৫ ডিগ্রি দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে। তবে সোমবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। রবিবার সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। জীবিকার তাগিদে তীব্র রোদে কাজ করতে হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষদের। বাইরে কাজ করা শ্রমজীবী মানুষেরা তীব্র রোদে কেউ ছায়া খুঁজছেন, কেউ পান করছেন ঠান্ডা শরবত। বালিয়া খালি ব্রিজে কথা হয় ভ্যান‌চালক শাহজাহান আলীর সঙ্গে। তিনি বলেন, সূর্য উঠার পর থেকেই গরমের তীব্রতা বাড়ছে। একটু পথ চলতেই ঘামে গোসল, গলা শুকিয়ে আসছে। বেশিক্ষণ ভাড়া টানতে পারি না। কিন্তু দিন শেষে ভ্যান মালিককে জমার টাকা দিতে হবে, তাই এখনো রাস্তায় আছি। এভাবে টানা গরম পড়লে আয় রোজগার কমে যাবে আমাদের। তাই ক্লান্ত হলেও জিরিয়ে জিরিয়ে ভ্যান চালাচ্ছি। একই জায়গায় কথা হয় ভ্যানচালক মস্তোফার সঙ্গে। তিনি বলেন, চুকনগর থেকে মালামাল নিয়ে যাচ্ছি খুলনায় এই গরম খুব কষ্ট দিচ্ছে। ভ্যানে তো সবসময় ভাড়া পাই না যে রাতে চালাবো। গাড়ি নিয়ে না বের হলে পেট তো চলবে না। গতকাল শনিবার সকাল থেকেই খুলনা সাতক্ষীরা মহাসড়কে মানুষের উপস্থিত তুলনামূলক কম। প্রচণ্ড গরমে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হচ্ছে না কেউ। আবহাওয়াবিদ জানান, মঙ্গলবার দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

 

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park