1. admin@banglarchetona.com : admin :
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফুলবাড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নবগঠিত সমবায় সমিতির নিবন্ধন সনদ প্রদান ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় বিদেশি পি”স্তলসহ গ্রে”ফতার ১ ফুলবাড়ীতে নারী উদ্যোক্তাদের হস্তশিল্পের পণ্য ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন জেলা সমবায় কর্মকর্তা ডুমুরিয়ায় জেলা পরিষদের বৃক্ষচারা বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভাইস এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেয়ে নৌবাহিনী প্রধানের দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম দিঘলিয়ায় ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে ব্যতিক্রমী বিদায়: আবেগঘন আয়োজনে সম্মানিত হলেন প্রধান শিক্ষক মোঃ নুরুল ইসলাম সাতক্ষীরা থেকে ২৩০ বোতল উইনকেরেক্স ১৫ হাজার পিচ ট্যাবলেট ও নিষিদ্ধ ঔষধসহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬ বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্রের শিল্পী-কলাকুশলীদের সমস্যা সমাধানে মতবিনিময় সভা ডুমুরিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি: মাদক, চুরি ও ছিনতাইয়ের উপদ্রবে অতিষ্ঠ জনজীবন ডুমুরিয়ায় চড়া মাছের দাম, সবজি ও মাংসে স্বস্তি

নিখোঁজের ১৫ বছর পার হলেও সন্ধান মেলেনি গাজী ফিরোজের পুত্র শোকে মায়ের মৃত্যু সদর থানায় মামলা জীবিত অথবা মৃতের সন্ধান পেতে চায় পরিবারের সদস্যরা

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১২৯ বার পঠিত

আবিদ আজাদ দিঘলিয়া খুলনা থেকে।

দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গাজী সিরাজুল ইসলামের জ্যেষ্ঠ পুত্র গাজী মোঃ মেহেদী হাসান ফিরোজ (৪৬) এবং তার বন্ধু লাখোহাটি নিবাসী মৃত মোকছেদ আলীর পুত্র মোঃ আফজাল হোসেন (৪৬) নিখোঁজের ১৫ বছর পার হলেও তাদের সন্ধান মেলেনি আজও। পুত্রের শোকে ফিরোজের স্নেহময়ী মা তার পু্ত্রের ফিরে আসার প্রহর গুনতে গুনতে অবশেষে মৃত্যু হয়েছে। অবশেষে খুলনা সদর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এ মামলার বাদী হয়েছে নিখোঁজ ফিরোজের ছোট ভাই গাজী মনিরুল ইসলাম।
গত ১১/১০/২০১০ তারিখ বিকাল অনুমানিক সোয়া ৪ টায় নিখোঁজ হয়। খুলনা সদর থানাধীন সাতরাস্তা মোড়স্থ গরীবে নেওয়াজ ক্লিনিকের পিছনের সড়কে পাঁকা রাস্তার উপর হতে নিখোঁজ হয় ফিরোজ এবং আফজাল। নিখোঁজের ১৫ বছর গত হলেও নিখোঁজ ফিরোজ এবং আফজালের সন্ধান মেলেনি। তাই খুলনার সদর থানায় মামলা দায়ের করেছে নিখোঁজ হওয়া ফিরোজের পরিবারের সদস্য মোঃ গাজী ইমরান হাছান মনিরুল। মনিরুল তার এজাহারে উল্লেখ করেছে, আমি একজন ব্যবসায়ী আমার বড় ভাই গাজী মোঃ মেহেদি হাসান ফিরোজ এবং তার বন্ধু মোঃ আফজাল হোসেন বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে বিগত ২৬ বছর যাবৎ জড়িত ছিল। তৎকালীন সরকারের নির্যাতনের স্বীকার হয়ে তারা জীবন বাঁচানোর তাগিদে খুলনা সদর থানাধীন হোল্ডিং নং-৪২, মুসলমানপাড়া ক্রস রোড, চান শরীফের বাড়ী আমার বোন ফারহানা সিরাজ মনিরার (৪০) ভাড়াকৃত বাসায় মাঝে মধ্যে অবস্থান করত। গত ১১/১০/২০১০ তারিখ বিকাল অনুমান সোয়া ৪ টার সময় আমার বড় ভাই ফিরোজ ও তার বন্ধু আফজাল আমার বোনের ভাড়াকৃত বাসা হতে মোটরসাইকল যোগে বাগেরহাটে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাহির হয়। কিন্তু আমার বড় ভাই ও তার বন্ধু আমার বোনের বাসা হতে বের হওয়ার পর আর বাসায় ফিরে না আসায় আমার পরিবারের সদস্যসহ আমার ভাইয়ের বন্ধুর পরিবারের সদস্যগণ আমার ভাই ও তার বন্ধুকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকি। কিন্তু আমার ভাই ও তার বন্ধুকে কোথাও খুঁজে না পাওয়ায় আমি বাদী হয়ে নিখোঁজ সংক্রান্তে খুলনা সদর থানার জিডি করি। খুলনা থানার জিডি নং-৬০৬, তারিখ-১২/১০/২০১০ ইং। এক পর্যায়ে জানতে পারি যে, ১১/১০/২০১০ তারিখ বিকাল অনুমান সাড়ে ৪ টার সময় আমার ভাই ও তার বন্ধু খুলনা সদর থানাধীন সাতরাস্তা মোড়স্থ গরীবে নেওয়াজ ক্লিনিকের পিছনের সড়কে পাঁকা রাস্তার উপর পৌছালে অজ্ঞাতনামা ১৫/১৬ জন আসামী র‍্যাব লেখা স্টিকার সংযুক্ত একটি মাইক্রোবাস যোগে এসে সাদা পোশাকে তারা নিজেদেরকে র‍্যাব পরিচয় দিয়ে তাদের তুলে নিয়ে যায়। বিষয়টি আমার পরিবার সহ আমার ভাইয়ের বন্ধুর পরিবারের সদস্যগণ জানতে পেরে র‍্যাব-৬, খালিশপুর খুলনায় উপস্থিত হয়ে তাদের নিকট আমার ভাই ও তার বন্ধুর অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা আমার ভাই এবং তার বন্ধুকে ছেড়ে দিবেন মর্মে আশ্বস্ত করলেও পরবর্তীতে তাদের অবস্থান সম্পর্কে কোন তথা প্রদান করেন নাই। তৎকালীন সময়ে দেশের আইনী শাসন ব্যবস্থা ভালো না থাকায় আমার ভাই ও তার বন্ধু অপহরণ সংক্রান্তে থানা সহ বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করতে পারি নাই। আমার ভাই তার বন্ধুকে পরিকল্পিতভাবে অপহরণ করে গুম করা হয়েছে। গত ০৫ ই আগস্ট ২০২৪ দেশের প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হওয়ার পর আমি সহ আমার পরিবার ও আমার ভাইয়ের বন্ধুর পরিবারের সদস্যগণ অপহরণ হওয়া সংক্রান্তে নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনা করে থানায় এসে অজ্ঞাতনামা ১৫/১৬ জন আসামীর বিরুদ্ধে অত্র এজাহার দায়ের করতে বিলম্ব হলো। মামলা নং-২৬ তাং ২২/১০/২০২৫ ধারা-৩৬৪/২০১/১৩৪ দি পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু করা হয়েছে। মামলার সাক্ষী ফিরোজের বড় ভাই গাজী মোঃ এনামুল হাচান মাসুম (৪৪), ফারহানা সিরাজুল মনিরা (৪০) উভয় সাং-সেনহাটি চন্দনীমহল ওয়ার্ড নং-৫, মোঃ মিঠুন হাসান (৩৫), পিতা-মোঃ মোকছেদ আলী, সাং- বারাকপুর, মোঃ আনিসুর রহমান (৫৮), পিতা-মৃত আব্দুল মজিদ, সাং- চন্দনীমহল, ওয়ার্ড নং-৪ সহ আরও অনেকে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park