মহিদুল ইসলাম (শাহীন) খুলনা থেকে
,খুলনা জেলার খাদ্য দপ্তরের সঠিক তদারকির কারণে খুলনা মহানগরীর ৩১টা ওয়ার্ডে চাল-আটা নেয্য মুল্যে বিক্রি চলছে। তারমধ্যে ২৭ টি ওয়ার্ডে ডিলারের মাধ্যমে এবং ৪ টা ওয়ার্ডে নিজস্ব ব্যবস্হাপনায় বিক্রি চলমান রয়েছে। প্রতিদিন ১ টা ওয়ার্ডে ১ টন চাল এবং ১ টন আটা বরাদ্দ রয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রতি ওয়ার্ডে ২ শ জন পুরুষ মহিলা ৫ কেজি আটা এবং ৫ কেজি চাল ক্রয় করতে পারবে।তবে পবিত্র রমজান মাসে কাক ডাকা সকালে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুরে দেখা যায় সেহরি খাওয়া শেষ করেই ডিলার পয়েন্টে এসে ভিড় জমাতে শুরু করে নারী পুরুষেরা। তাদের চোখে মুখে আনন্দের হাসি। কমদামে চাল আটা পেয়ে বেজায় খুশি তারা। চাউলের মান নিয়ে প্রশ্ন করতেই তারা বলেন,বর্তমান চাউলের মান অন্য সময়ের থেকে অনেক ভালো। ডিলার পয়েন্টে কোন সমস্যা আছে কিনা,এমন প্রশ্নের জবাবে ভুক্তভোগীরা জানান,প্রতিদিন ৩/৪ বার মনিটরিং কর্মকর্তারা এসে খোঁজখবর নিয়ে থাকেন।তাছাড়া তদারকি অফিসাররা তো শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পয়েন্টে বসে থাকে। তারা আরও জানান, ডিলাররা চাল আটা পেতে নারী পুরুষের সিরিয়াল অনুযায়ী দিয়ে থাকেন। এজন্য আমরা সহজেই চাল আটা কিনতে পারি। তারা খাদ্য দপ্তরকে ধন্যবাদ জানান,বিতরণের আগের দিন পয়েন্টে পয়েন্টে চাল আটা রাখার ব্যবস্হা করার জন্য।
বাস্তহারা এলাকার মর্জিনা বেগম,ফাহমিদা বানু ও মোসলেম উদ্দিন বলেন, আমাদের ৯ নং ওয়ার্ডের ডিলার আবুল কালাম আজাদ তিনি একজন সরকারি অবসর প্রাপ্ত লোক। তিনি একজন সৎ ও আদর্শবান লোক। তার ব্যবহার খুব ভালো। তিনি আমাদের চাল আটা ক্রয় কাজে সব সময় সহযোগিতা করে থাকেন। তিনি হেঁসে ছাড়া আমাদের সঙ্গে কথা বলেন না।গত সপ্তাহে যে সকল ডিলার পয়েন্টে গিয়ে লম্বা লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে চাল আটা কিনতে দেখাগেছে, সেসব ডিলার হচ্ছে ১৩ নং ওয়ার্ডে শহিদুল ইসলাম,১৪ নং ওয়ার্ডে সেলিম আহম্মেদ, ১৬ নং ওয়ার্ডে মোঃ হাসান,২নং ওয়ার্ডে আরমান শিকদার সেন্টু,৩নং ওয়ার্ডে শেখ রওশন মুস্তাফিজ,৪ নং ওয়ার্ডে গোলাম সামদানী,৫ নং ওয়ার্ডের ডিলার পয়েন্ট,৯ নং ওয়ার্ডে আবুল কালাম আজাদ,৬নং ওয়ার্ডে মনোয়ারা বেগম (সাবু),৮ নং ওয়ার্ডে সেলিম রেজা ( ফয়সাল)। ৩০ নং ওয়ার্ডে মোঃ স্বপন,২০ নং ওয়ার্ডে আঃ ছালাম ঢালী (মিন্টু),২১ নং ওয়ার্ডে বিদ্যুৎ রায়,২২নং ওয়ার্ডে খলিদ হোসেন রাজন,২৩ নং ওয়ার্ডে মোঃ গোলাম মোর্শেদ, ২৬ নং ওয়ার্ডে মঞ্জুয়ারা লাভলী,২৯ নং ওয়ার্ডে মাহবুবুর রহমান লিটু (জামিলা),১৭ নং ওয়ার্ডে সাইয়েদুজ্জামান সম্রাট।সার্বিক বিষয় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ তানভীর হোসেন বলেন,মনিটরিং কর্মকর্তা এবং প্রতিটা ওয়ার্ডে তদারকি কর্মকর্তা রয়েছে। তারা প্রতিদিন দুই টন চাল আটা বুঝে নিয়ে মাল বিতরণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পয়েন্টে থাকবে। তাছাড়া আমিও পয়েন্টে পয়েন্টে খোঁজখবর নিয়ে থাকি। পয়েন্টে আগের দিন মাল পৌছানোর পর ভিডিও কলে মালের বিবরণসহ দেখে তারপর চাল আটা বন্টন করার নির্দেশ দেওয়া হয়। যত সময় পর্যন্ত মাল শেষ না হবে ততক্ষণ তদারকি কর্মকর্তা উপস্থিত থাকবে। সেক্ষেত্রে কমপক্ষে দুপুর পর্যন্ত পয়েন্ট ওপেন থাকতে হবে।।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ নজরুল ইসলাম। খুলনা অফিসঃ ৬/১ পাবলা কেশবলাল রোড, দৌলতপুর, খুলনা। মোবাইলঃ ০১৭১৩৭০৮১৯
Copyright © 2026 বাংলার চেতনা. All rights reserved.