খুলনা জেলা প্রতিনিধি,
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী কায়দায় জমি দখল,ঘেরের বাসা ভাংচুর,মালামাল লুটপাট ও জীবন নাশের
অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি ভুমিদশ্যু চক্রের বিরুদ্ধে । এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বটিয়াঘাটা দলিল লেখক সমিতির সাবেক সভাপতি মোঃ আমিনুল ইসলাম বটিয়াঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের হুগলবুনিয়া এলাকায় নিজস্ব জমিতে বৈধ ভাবে ঘের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন আমিনুল ইসলাম। কিন্তু হঠাৎ করেই কৈয়া ঘোলা এলাকার একটি প্রভাবশালী চক্র তার জমি জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু করে। অভিযুক্ত শেখ হায়দার আলী,আঃ রাজ্জাক, শেখ আব্দুল খালেক সহ আরও কয়েকজন সংঘবদ্ধ হয়ে পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালায়।
গত ৩ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ ভাবে ওই জমিতে ঢুকে পড়ে। তারা কোনো ধরনের আইন- কানুনের তোয়াক্কা না করে নির্মম ভাবে ঘেরের ঘর বাড়ি,স্থাপনা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালায় এবং ঘেরে থাকা লাখ লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় সেখানে থাকা কর্মচারীদের ওপরও বর্বর হামলা চালানো হয়,যার ফলে এলাকায় চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
অন্য দিকে হামলাকারীরা মৎস্য ঘেরের বাসা এবং বাসায় থাকা আসবাবপত্র ও মালামাল প্রকাশ্য দিবালোকে লুটপাট করে নিয়ে চলে যায়।
ভুক্তভোগীর দাবি,এই সন্ত্রাসী হামলায় তার কয়েক লক্ষ টাকার সম্পদ নষ্ট হয়েছে। শুধু তাই নয়,অভিযুক্তরা তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে,যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এ ধরনের দখলবাজ চক্র দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
ফলে সাধারণ মানুষ তাদের নিজস্ব সম্পত্তি নিয়েও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
এ ঘটনায় দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী। বটিয়াঘাটা থানা ওসি জানিয়েছেন, অভিযোগটি তদন্ত চলছে। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। অন্য দিকে,ঘেরের লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানান বটিয়াঘাটার সচেতন মহল।।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ নজরুল ইসলাম। খুলনা অফিসঃ ৬/১ পাবলা কেশবলাল রোড, দৌলতপুর, খুলনা। মোবাইলঃ ০১৭১৩৭০৮১৯
Copyright © 2026 বাংলার চেতনা. All rights reserved.