মোঃ আশরাফুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গোলাম মোস্তফা (জিএম) পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। যে বিদ্যালয় শিক্ষার আলো ছড়ানোর কথা থাকলেও এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখন অনিয়ম অর্থ লোপাট সহ নানারকম অভিযোগের পাহাড়।
ফুলবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গোলাম মোস্তফা (জি.এম) পাইলট উচ্চ বিদযালয়ের প্রধান শিক্ষক এর বিরুদ্ধে গুরুতর আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মাঠ সংস্কারের নামে নিয়ম বহির্ভূতভাবে অর্থ উত্তোলনসহ বিভিন্ন খাত থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ের একাধিক সহকারি শিক্ষক।
বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংস্কারের নামে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা নিয়ম বহির্ভূতভাবে উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক তোজাম্মেল হক ও তৎকালীন এডহক কমিটির বিরুদ্ধে।
শিক্ষকদের দাবি, একটি সরকারি প্রকল্পের আওতায় মাঠ সংস্কার চললেও পরিকল্পনাবিহীন ড্রেন নির্মাণের প্রায় এক মাস পর বিদ্যালয়ের নিজস্ব ২২টি ফান্ড থেকে টাকা উত্তোলন করা হয়। শুধু তাই নয়, শিক্ষামন্ত্রণালয়ের অডিটে বিদ্যালয়ের হিসাবপত্রে প্রায় ৬৬ লক্ষ টাকার গরমিল ধরা পড়লেও এখনও তার কোনো সুরাহ হয়নি বলে অভিযোগ। এর ফলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও পড়েছেন অনিশ্চয়তার মুখে। এদিকে অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের গেট ও সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নামেও প্রায় ১২ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে চরম বিপর্যয়ের মুখে এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
সহকারি শিক্ষক (১-৩)
“আমরা জানি সরকারি প্রকল্পে মাঠের কাজ হয়েছে। কিন্তু পরে আবার মাঠ সংস্কারের নামে বিদ্যালয়ের ফান্ড থেকে ১৬ লক্ষ টাকা তোলা হয়েছে, যার কোন স্বচ্ছ হিসাব আমরা পাইনি।” “টিউশন ফি, উপবৃত্তির টাকা নির্ধারিত খাতে খরচ না করে অপ্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করা হয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের ফান্ড পুরোপুরি শূন্য হয়ে গেছে।”
আহমেদ হাসান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সভাপতি, তিনি বলেন- গোলাম মোস্তফা (জি.এম) পাইলট উচ্চ বিদযালয়
“বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা।
অপরদিকে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক তোজাম্মেল হক বলেন কমিটি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাঠ সংস্কার করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সকল বিষয়ে অবগত রয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী সবকিছু করা হয়েছে এখানে অনিয়মের কিছুই নেই।।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ নজরুল ইসলাম। খুলনা অফিসঃ ৬/১ পাবলা কেশবলাল রোড, দৌলতপুর, খুলনা। মোবাইলঃ ০১৭১৩৭০৮১৯
Copyright © 2026 বাংলার চেতনা. All rights reserved.