( ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ সোহেল রানা )
খুলনার তেরখাদা উপজেলার বারাসাত ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভূজনিয়া–বরইতলা খাল দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপানায় ভরাট হয়ে পানিপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করছিল। এতে স্থানীয় জনজীবন ও কৃষিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছিল। সেচ সংকট, দৈনন্দিন পানির চাহিদা ব্যাহত হওয়া এবং মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েন এলাকাবাসী।এমন পরিস্থিতিতে খালটি পুনরুদ্ধারে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি মো. মিল্টন হোসেন মুন্সি। খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলালের নির্দেশনায় তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে খাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রম শুরু করেন।শুক্রবার (৯ এপ্রিল) সকালে ভূজনিয়া–বরইতলা খালে কচুরিপানা অপসারণের কাজ শুরু হয়। স্থানীয় জনগণ, বিএনপি নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশগ্রহণ করেন। ফলে পুরো এলাকায় সৃষ্টি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ।এ সময় খালের কচুরিপানা অপসারণ কার্যক্রমে মিল্টন হোসেন মুন্সিকে মাঠে সরাসরি অংশ নিতে দেখা যায়। স্থানীয়দের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তিনি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ নেন এবং শ্রম দেন।মো. মিল্টন হোসেন মুন্সি বলেন, “বারাসাত ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভূজনিয়া–বরইতলা খালটি কচুরিপানার কারণে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের অভিভাবক এমপি হেলাল ভাইয়ের নির্দেশনায় এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে খাল পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিছু নাস্তার ব্যবস্থাও করা হয়েছে এবং আমিও নিজে শ্রম দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও এলাকার মানুষের জন্য এ ধরনের কাজ অব্যাহত থাকবে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।”স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি কচুরিপানায় ভরাট হয়ে থাকায় কৃষকদের সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল। পাশাপাশি পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে মশার উপদ্রবসহ নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। খাল পরিষ্কারের এই উদ্যোগে তারা স্বস্তি প্রকাশ করেন।এলাকাবাসীর মতে, এ ধরনের স্বেচ্ছাশ্রমমূলক উদ্যোগ নিয়মিতভাবে চালু থাকলে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরে আসবে এবং কৃষি উৎপাদনসহ জনজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।স্থানীয়রা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ নজরুল ইসলাম। খুলনা অফিসঃ ৬/১ পাবলা কেশবলাল রোড, দৌলতপুর, খুলনা। মোবাইলঃ ০১৭১৩৭০৮১৯
Copyright © 2026 বাংলার চেতনা. All rights reserved.