
শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা
সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি। সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সনাতনী সমাবেশে হাজার হাজার হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত হওয়ার মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত সকল ধর্মের মানুষের দল বিএনপি। তাই তো হিন্দু সমাজের সুখে-দুঃখে সর্বদা পাশে আছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিএনপি সবসময় সকল ধর্মের মানুষের বন্ধু।বুধবার খুলনার ডুমুরিয়ার বান্দা স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে মাতুয়া বহুজন সমাজ ঐক্যজোট আয়োজিত মাতুয়া সম্মেলন ও মহাৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া- ফুলতলা) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী আলি আসগার লবি একথা বলেন।নিত্যানন্দ মন্ডলের সভাপতিত্বে উদ্বোধক হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পদ্মনাভ ঠাকুর শ্রীধাম ওড়াকান্দি। প্রধান বক্তা ছিলেন বিদুর কান্তি বিশ^াস। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন দশরথ মন্ডল, হরিপদ ধর, ঠাকুরদাস বৈরাগী। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মোল্লা মোশারেফ হোসেন মফিজ, কবির হোসেন, যুবদলের জেলা আহবায়ক ইবাদুল হক রুবায়েেদ,যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল্লাহ হেল কাফি সখা, লন্ডন প্রবাসী সাবেক ছাত্র নেতা সুমন, সজিব, আরিফুল ইসলাম আরিফ, তারেক, আলী আক্কাস প্রমুখ।আলি আসগার লবি আরও বলেন, ১৭ বছর জনগণের ভোট ছাড়া হাসিনা জোর করে ক্ষমতা ধরে রেখেছিল। হাসিনা হিন্দু-মুসলিম কারো স্বার্থও রক্ষা করেনি। আমাদের নেতা তারেক রহমানের নির্দেশে কোন মানুষের উপর বিএনপি হামলা হতে দেয়নি। ধর্ম-বর্ন-নির্বিশেষে সবার অধিকার রক্ষায় বদ্ধপরিকর আমাদের নেতা। বক্তৃতার শেষে তিনি উপজেলার হিন্দু বৌদ্য খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষকে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দেয়ার আহবান জানান।তিনি বলেন, হিন্দু-মুসলিম ভ্রাতৃত্ব ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অটুট বন্ধনকে সুসংহত করতে এই সমাবেশ এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আপনারা সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে ভোটারদের কাছে কাছে যাবেন এবং ১২ ফেব্রুয়ারী তাহাজ্জুতের নামাজ পড়ে আপনারা ভোট কেন্দ্রে যাবেন ও ভোট দিবেন এবং ভোটের রেজাল্ট নিয়ে বাসায় আসবেন। আমি আপনাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে বাসযোগ্য অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবো।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনারা সকলেই ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে আপনাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করুন। আপনাদের ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী হয়ে আপনাদের সেবক হয়ে থাকতে চাই এবং ডুমুরিয়া- ফুলতলা উপজেলাকে আধুুনিক উপজেলায় রূপান্তর করতে চাই। আসুন উন্নয়নের স্বার্থে আজ থেকে সবাই সবার জায়গায় থেকে ধানের শীষ কে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে জনসাধারণের দ্বারে দ্বারে যেয়ে ভোট প্রার্থনা করুন।তিনি আরো বলেন, আমাকে একটা বার সুযোগ দিয়ে দেখেন আমি আপনাদের তথা এই অঞ্চলের উন্নয়ন করতে পারি কিনা, আমার নিজস্ব কোন চাওয়া পাওয়া নেই। আমার একটায় চাওয়া আপনারা যদি আমাকে ভোটে জয়ী করে সংসদে পাঠান, আর আমি জাতীয় সংসদে আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করার মাধ্যমে ডুমুরিয়া- ফুলতলার উন্নয়নের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করবো। তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আপনার গুরুত্বপূর্ণ আমানত ভোট দেশের গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য ধানের শীষ মার্কায় প্রদান করবেন সেই প্রত্যাশা করছি। ডুমুরিয়া-ফুলতলার জলাবদ্ধতা নিরসনে আমরা কাজ শুরু করেছি। আমি এমপি নির্বাচিত হলে আমার প্রথম কাজ হবে এ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধান করা। আজ আপনাদের কাছে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এসেছি, আপনাদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছি। আমি সুবিধা বঞ্চিত এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রারমান উন্নয়ন করতে এসেছি। সেই সুযোগটুকু আপনাদের কাছ থেকে পাবো তা ইতিমধ্যে বিভিন্ন সভা সমাবেশে আপনাদের সরব উপস্থিতি প্রমান করেছে।।