1. admin@banglarchetona.com : admin :
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি বোটসহ ১৯ জনকে আটক করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ফুলবাড়ী ব্যাটেলিয়ান ২৯ বিজিবি’র অভিযানে ৮৬,৮০০ টাকার মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল ও ৪২০ ট্যাবলেট আটক খুলনায় ভোক্তা-অধিকারের অভিযানে ৭৬ হাজার টাকা জরিমানা খুলনার পাট শিল্প মরুভূমিতে পরিণত হলেও জীবিকা ধরে রেখেছে দিঘলিয়ার সাগর জুট স্পিনিং মিলস্ পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে তেরখাদার বাজার গুলোতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান। তেরখাদায় উজেলা খামারের তালা ভেঙে চারটি  গরু চুরি,আতঙ্কে খামারিরা খুলনা বটিয়াঘাটার ইউপি সদস্য লিপিকার উপর সন্ত্রাসী হামলায় মারাত্মক জখম অবস্থায় খুমেকে ভর্তি খুলনা কেডিএ চেয়ারম্যানের সঙ্গে কেএমপি কমিশনার এর সৌজন্য স্বাক্ষাৎ দিঘলিয়ায় রমজানের পবিত্রতা রক্ষার্থে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে র ্যালী শিরোমণি সড়ক দুর্ঘটনায় বাদল হাওলাদার নিহত

ডুমুরিয়ার ঘোনা মাদার ডাঙার নিউটন মন্ডলের সেই সাত হাত লম্বা কচুর কথা মনে আছে তো ?

বাংলার চেতনা ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৪ বার পঠিত

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার রংপুর ইউনিয়নের ঘোনা মাদারডাঙ্গা গ্রামের নিউটন মন্ডল। মহানগরীর দৌলতপুর-শাহপুর সড়কের পাশে দিয়ে এগুলে দেখা মেলে পানিকচুর ক্ষেত। তাকে এলাকায় এখন কচু নিউটন বললেই চেনে। একসময় নিউটন মন্ডল বেসরকারি পাটকলে কাজ করতেন। পাটকলে কাজের সময় শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতা তাকে পেয়ে বসে। মিলের কাজ ছেড়ে দেন। অভাবের সংসারে কী করবেন। বাড়ির পার্শ্বে ৩৪ শতক জমি বর্গা নিয়ে শুরু করেন চাষাবাদ। লাভজনক না হওয়ায় ২০০৫ সালে তিনি জমির কিছু অংশে স্থানীয় জাতের পানিকচুর চারা রোপণ করেন। এরপর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এখন জমির পরিমাণ ৫৫ শতক। বর্গা নেওয়া এই জমির প্রতি বছরের ভাড়া দিতে হয় ১২ হাজার টাকা। এখন কচুরলতি, ফুল ও কচু এবং চারা বিক্রি করে প্রতিবছরের প্রায় ৫ লাখ টাকা আয় করেন। এলাকায় সুখ্যাতি হয়েছে বেশ। ঘেরের পাড় থেকে দেশি জাতের কিছু পানিকচুর চারা সংগ্রহ করে সম্পূর্ণ নিজস্ব পদ্ধতিতে চারা রোপণ করা হয়। ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির মধ্যে গাছ লাগানো শেষ হয়ে যায়। তিন ফুট দূরত্বে কচুর চারা রোপণ করা হয়। কোদাল দিয়ে এক ফুট গভীর করে চাষ দেওয়া হয়।
চারা লাগানোর পর জৈব ও রাসায়নিক সার দেন সুষমভাবে। রোপণের ৪৫ দিনের মাথায় লতি বিক্রির উপযোগী হয়। তার এ কচু ৭ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। প্রত্যেকটির ওজন হয় ২০/৩২ কেজি। নিজস্ব ভ্যানে করে খুলনা শহরে নিয়ে কচু বিক্রি করেন নিউটন। তথ্যপ্রযুক্তি (ফেস বুক) ব্যবহার করেও বিক্রির কার্যক্রম করে থাকেন তিনি। এখন সেই কচু কোরিয়ার পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি চলছে। ক্ষেত থেকে কচু তুলে পরিষ্কার করে ছিলে ফেলা হচ্ছে। পরে একহাত করে কেটে রোদে শুকাতে দেওয়া হয়। তিন/চারদিন শুকানোর পর সেই কচু খুলনা শহরে এনে কোরিয়ান বায়ারের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি।
কচু চাষি নিউটন মন্ডল জানান, এতদিন আমার কচু দেশের মধ্যে খুলনা, বরিশাল, ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগে গিয়েছে। এখন সেই কচু যাচ্ছে দেশের বাইরে। একসময় মানুষের পাশ দিয়ে হেঁটে গেলেও কেউ ফিরে তাকাতো না। এখন দেশের বিভিন্ন স্থানের মানুষ আমারে চেনে। অনেক বড় বড় মানুষ আমার ক্ষেত দেখতে আসে। শ্রম কখনো বিফলে যায় না। এখন একটাই স্বপ্ন মেয়েটা বড় হয়ে ডাক্তার হবে। এলাকার গরিব, দুঃখি মানুষের সেবা করবে।
নিউটনের স্ত্রী স্মৃতিলতা মালাকার জানান, শুরুর দিকে অনেক মানুষ অনেক কথা বলেছিল। আমরা থেমে যাইনি। আর এখন সেই কচুতে আমাদের পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে। আমাদের মেয়েটি স্কুলে যাচ্ছে। গরুর খামার করেছি। পেয়ারার চাষ, বিটি বেগুন এবং চুঁইঝালের চাষাবাদও ভাল হচ্ছে।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলার চেতনা
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park