মহিদুল ইসলাম (শাহীন) খুলনা থেকে,
খুলনা মহানগরীর ওএমএস ডিলার পয়েন্ট খুব সকাল সকাল গিয়ে দেখা যায় হতদরিদ্রের ভিড়। এমনটি সংবাদ পেয়ে খুলনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ তানভীর হোসেন গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৭ টার সময় উপস্থিত হয়ে দেখতে পায় ঘটনা সম্পুর্ন সত্যি। কাঁকডাকা সকালে যে তিনটা ডিলার পয়েন্ট পরিদর্শন করেন, সে পয়েন্ট গুলো হলো
২০ নং ওয়ার্ডে শেখ পাড়ার মেসার্স ছালাম এন্টারপ্রাইজ প্রোপাইটর,আঃ সালাম ঢালী,২৩ নং ওয়ার্ডে ধর্মসভা ক্রস রোডের কাশফিয়া এন্টারপ্রাইজ প্রোপাইটর গোলাম মুর্শেদ এবং ২২ নং ওয়ার্ডে মেসার্স ফাতেমা এন্টারপ্রাইজ প্রোপাইটর খালিদ হোসেন রাজন এর ডিলার পয়েন্টে যেয়ে দেখা যায় শত শত লোক উপস্থিত। এসময় উপকার ভোগী মানু মিয়া, আঃ রাজ্জাক গাজী, শফিকুল আলম,রত্না খানম, মর্জিনা বেগম, ভানু বিবি ও শান্তনা বাছাড় এর কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, আমরা প্রাই ভোর

৫ টার সময় এসে সিরিয়াল দিয়ে থাকি। কারণ দেরিতে আসলে সিরিয়াল পাওয়া যায় না। এজন্য সকালে না খেয়ে টাকা আর ব্যাগ নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে যাই। উপস্থিত লোকজনের কথা শুনে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মুহাম্মদ তানভীর হোসেন বলেন, আপনাদের কথা সব সময় মানুষের মুখে মুখে শুনি। তাই নিজেই কাঁকডাকা সকালে এসে হাজির হলাম। এখন দেখছি ঘটনা সত্যি। তিনি বলেন,এই চাল আটা বিক্রি চল্লে আপনারা উপকৃত হচ্ছেন তো।তখন তারা বলে,জি স্যার এটা সব সময় চল্লে ভালো হবে। এসময় ডিসি ফুড ৩ পয়েন্টের উপস্থিত লোকজনদের বলেন,আমি আপনাদে মধ্যে দুই শ জন ব্যক্তিকে ২ কেজি করে চাল খাদ্য দপ্তরের পক্ষ্য থেকে ফ্রি দিবো আপনারা খুশি তো। এসময় উপস্থিত লোকজন আনন্দ উল্লাস করতে থাকে এবং ডিসি ফুড ও সরকারের পক্ষ্যে তারা শ্লোগান দিতে থাকে। উল্লেখ্য মহানগরীর ওএমএস কার্যক্রম সুষ্ঠু,এবং সুন্দর ভাবে চলছে মনিটরিং কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক, তরুণ বালা,মমতাজ পারভীন ও কাজি নাহিদ হাসান নেতৃত্বে। এছাড়া উক্ত কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে রয়েছে বেশ কয়েকজন চৌকস অফিসার। তারা সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত পয়েন্টে বসে থাকে। অনেকের মন্তব্য ওএমএস কার্যক্রম আগের থেকে এখন অনেক স্বচ্ছ।।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ নজরুল ইসলাম। খুলনা অফিসঃ ৬/১ পাবলা কেশবলাল রোড, দৌলতপুর, খুলনা। মোবাইলঃ ০১৭১৩৭০৮১৯
Copyright © 2026 বাংলার চেতনা. All rights reserved.