নিউজ ডেস্ক ঃ
কুষ্টিয়ার ৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আফজাল হোসেন সাহেবের নিকটে যুব সমাজকে মাদকের মরন থাাবা থেকে বাচাঁনোর আর্জি জনসাধারণের ,
আপনি নিজে উদ্যোগ নিয়ে যদুবয়রা ইউনিয়ন বাসীর যুবসমাজ বাঁচাতে সাহায্য করুন?
কুষ্টিয়ার কুমারখালী আলোচিত ইয়াবার ব্যবসায়ী সোহেল রানা ভিন্ন পত্রিকার নাম ভাঙিয়ে ও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে সুকৌশলে চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা ব্যবসা। তার কার্যক্রমে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের জয়বাংলা মোড়ের পাসেই, মৃত উকিলের ছেলে সোহেল রানা (৩০) ইয়াবার রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সোহেলের বিরুদ্ধে মাদকের একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।৩/৪ বছর ধরে প্রকাশ্যে চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবার ব্যবসা। ইয়াবার ব্যবসা করে যে শুধু অঢেল অর্থের মালিক নন,বিলাস বহুল বাড়ি এসি রুম -প্রাইভেট কার করেছে সুধু তা নয়, সোহেলের রয়েছে কুমারখালী উপজেলাজুড়ে ইয়াবার পাইকারী ও খুচরা ব্যবসার সিন্ডিকেট। কোনো কিছুতেই থামছে না সোহেল রানার। কাউকে তোয়াক্কা না করে প্রশাসনকে বৃধ্যা আঙ্গুল দেখিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে এই দুই নাম্বারি কারবার। ইয়াবা ব্যাবসায়িক সোহেল রানা নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে গড়েতুলছে মাদকের হাট। মাদকের একাধিক মামলা থাকার সত্ত্বেও কিভাবে এত খোলামেলাভাবে মাদকের ব্যবসা করছে সোহেল রানা? এছাড়াও মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসন জিরো টলারেন্স ঘোষণা দিলেও উপজেলার যদুবয়রাতে সোহেল রানা মাদক ব্যবসা করছে? স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মৃত উকিলের ছেলে সোহেল রানা নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এলাকাতে মাদকের রাজ্য গড়ে তুলেছে।এই সোহেল রানা এলাকাতে কিছু কর্মচারী দিয়ে মাদক বিক্রি করাচ্ছে।ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আছে বুলবুল হোসেন, সোহেলের নিজের প্রাইভেটের ড্রাইভার গোবিন্দপুরের রাশেদ ও ইয়াবা সেল্স ম্যান ১৪ বছর বয়সের এক নাবালিকা শিশু সিফাত হোসেন,এই মাদক ব্যাবসায়িক সোহেলের কারণে এলাকার যুব সমাজ ধস হচ্ছে ও মাদকের কারণে গ্রামগঞ্জের বৃদ্ধি পাচ্ছে কিশোর গ্যাং।গত ১ বছর আগের সোহেল রানার বিরুদ্ধে কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে লিখিত গণপিটিশন জমা দেওয়া হয় ও মানববন্ধন করে। মাদক বিক্রয়ের বিষয়টা জানতে পেরে যে সকল পত্রিকাতে কর্মরত ছিলেন সেই সকল পত্রিকার সম্পাদকগণ সোহেল রানাকে বহিষ্কার করে।
পুনরায় সেই সকল পত্রিকার নাম ভাঙিয়ে যদুবয়রাতে গরে তুলেছে মাদকের রাজ্য।বিগত ৩/৪ মাস আগে কুষ্টিয়ার মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর ভোররাতে অভিযান পরিচালনা করে সর্বনাশা ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে সোহেল রানাকে।গ্রেপ্তারের আনুমানিক দুই মাস পরে জেল থেকে জামিনে বের হয়ে এসে।আরো বড় করে মাদকের ব্যবসা শুরু করে।বিভিন্ন পত্রিকার পরিচয় দানকারী সোহেল রানা, জেল থেকে বের হয়ে এসে ক্রয় করে মোটরসাইকেল, এসি সহ তৈরি করে আলিশান বাড়ী,আনুমানিক ১ মাস আগে ক্রয় করে প্রাইভেট কার।এলাকাবাসীর প্রশ্ন গত ২ বছর আগে সোহেলের নুন আনতে পান্তা ফুরিয়ে যেত, এই সোহেলের এগুলোর উৎস কোথায়?
মাদকের ব্যবসা আড়াল করার জন্য আনুমানিক ২০/২৫ দিন যাবত সোহেল নিজেকে পরিচয় দিচ্ছে সাংবাদিক ও ঠিকাদার।এই ঠিকাদারের নাম ব্যবহার করে কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আনা হচ্ছে সর্বনাশা ইয়াবা। এলাকাবাসী আরো জানান,একাধিকবার মাদকের ব্যাবসা বন্ধ করতে বলা হলেও সে এসব কোথায় কোন কর্ণপাত করে না। উল্টো স্থানীয়দের বিরুদ্ধেই নানারকম ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকি দেয়।প্রশাসনের উদ্ধতম কর্মকর্তাদের নাম ব্যাবহার করে, প্রশাসনকে বিধ্যা আঙ্গুল দেখিয়ে সে এসব মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইয়াবার ব্যাবসার কারণে এলাকায় চুরি-ছিনতাই ও ডাকাতিসহ নানা রকম অপরাধ দিনে দিনে বেড়েছে। তরুন ও যুবসমাজ মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়ছে। এই মাদক ব্যবসায়ী সোহেলের আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হওয়ার মূল উৎস টা কোথায়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সোহেলকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার অনুরোধ জানান তারা।
এ বিষয়ে মাদক ব্যবসায়ী সোহেল রানার সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি মাদকের ব্যবসা করি না আমি বর্তমানে ঠিকাদারী কাজ করি।
বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে কাজ করছে পুলিশ। মাদকের সাথে সম্পৃক্ত কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না।
সোহেলের মাদক ব্যবসার ২য় পর্ব অনুসন্ধান চলছে?
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ নজরুল ইসলাম। খুলনা অফিসঃ ৬/১ পাবলা কেশবলাল রোড, দৌলতপুর, খুলনা। মোবাইলঃ ০১৭১৩৭০৮১৯
Copyright © 2026 বাংলার চেতনা. All rights reserved.