মহিদুল ইসলাম (শাহীন) খুলনা থেকে,
খুলনা জেলা খাদ্য দপ্তরের সঠিক তদারকির জন্য এবং সদ্য দায়িত্ব প্রাপ্ত ওএমএস মনিটরিং কর্মকর্তা খুলনা আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্তক কার্যালয়ের সহকারী রসায়নিকবীদ শেখ মনিরুল হাসান একক"চৌকস" অভিযানে বিগত দিনের থেকে স্বচ্ছ এবং সুষ্ঠু ভাবে ওএমএস বিক্রি হচ্ছে বলে সচেতন মহলের মন্তব্য। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ডিলার জানান,যেদিকে তাকাই সেদিকেই মনিটরিং স্যারকে দেখতে পাই। তাছাড়া পয়েন্ট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তদারকি কর্মকর্তা সবকিছু দেখবাল করেন। মনিটরিং কর্মকর্তা বলেন,
প্রতিদিন আমরা সকাল ৯ টায় ভিডিও কলে চাল ও আটার মজুদ দেখি।
জানাগেছে,প্রতিদিন ১ টা ওয়ার্ডে ১ টন চাল ও ১ টন আটা বরাদ্দ রয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রতি ওয়ার্ডে ২ শ জন পুরুষ মহিলা ৫ কেজি আটা এবং ৫ কেজি চাল ক্রয় করতে পারবে। বিভিন্ন ডিলার পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায় ভোর থেকে পয়েন্টে এসে ভিড় জমাতে শুরু করে নারী পুরুষ। তাদের চোখে মুখে আনন্দের হাঁসি। কমদামে চাল আটা পেয়ে বেজায় খুশি তারা। খুলনা সিএসডি ব্যবস্হাপক এম এম ইকবাল হোসেনের নির্দেশে প্রতি বস্তা চাল হুক মেরে মেরে চেক করে দেয়,তারা বলেন,অন্য সময়ের থেকে ভালো চাউল সরবরাহ হচ্ছে। ডিলার পয়েন্টে কোন সমস্যা আছে কিনা,এমন প্রশ্নের জবাবে ভুক্তভোগীরা জানান,প্রতিদিন মনিটরিং কর্মকর্তা এসে খোঁজ খবর নিয়ে থাকেন।
তাছাড়া তদারকি অফিসাররা তো শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পয়েন্টে বসে থাকে। সুফল ভোগী মালতি বেগম, বৈশাখী রায় ও জসিম উদ্দিন বলেন, আমাদের ডিলারা অনেক ভালো মনের মানুষ। তারা সৎ ও আদর্শবান লোক। তারা হেঁসে হেঁসে আমাদের সঙ্গে কথা বলেন। কোন বৃদ্ধ মানুষ চাল আটা কিনতে আসলে তারা নিজেই চাল আটাসহ তার ব্যাগটা নিয়ে বাসায় পৌঁছানোর ব্যবস্হা করেন। অন্য দিকে গত সপ্তাহে যে সকল ডিলার পয়েন্টে গিয়ে নারী পুরুষের উপচে পড়া ভিড় ও লাইনে দাঁড়িয়ে চাল আটা ক্রয় করে হাঁসি খুশি ভাবে দেখা গেছে, সে সব ডিলার হচ্ছে,
মোঃ শহিদুল ইসলাম,মোঃ সেলিম আহম্মেদ, মোঃ হাসান,আরমান শিকদার সেন্টু,মোঃ গোলাম সামদানী,খবির হোসেন,আবুল কালাম আজাদ (অবঃ),মনোয়ারা বেগম (সাবু),৮ নং ওয়ার্ডে সেলিম রেজা ( ফয়সাল),মোঃ স্বপন,আঃ ছালাম ঢালী (মিন্টু),বিদ্যুৎ রায়, খলিদ হোসেন রাজন,মোঃ গোলাম মোর্শেদ,মঞ্জুয়ারা লাভলী, মোঃ রমজান আলী,
জেলা সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক বনী আমিন বলেন,আমাদের মনিটরিং কর্মকর্তা এবং প্রতিটা ওয়ার্ডে তদারকি কর্মকর্তা রয়েছে। তারা প্রতিদিন দুই টন চাল আটা বুঝে নিয়ে মাল বিতরণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত পয়েন্টে থাকবে। তাছাড়া আমরাও পয়েন্টে পয়েন্টে খোঁজ খবর নিয়ে থাকি। যত সময় পর্যন্ত মাল শেষ না হবে ততক্ষণ তদারকি কর্মকর্তা উপস্থিত থাকবে। সেক্ষেত্রে কমপক্ষে দুপুর পর্যন্ত পয়েন্ট খোলা থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন,অগোছালো ওএমএস এখন অনেক স্বচ্ছ এবং ভালো ভাবে চলছে।
সার্বিক বিষয় খুলনা আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবু নঈম মোহাম্মদ সফিউল আলম বলেন, আমি সবে মাত্র খুলনা যোগদান করেছি। খোঁজখবর নিয়ে জেনেছি ওএমএস মোটামুটি ভালো অবস্থানে রয়েছে। আমি পর্যায়ক্রমে পয়েন্টগুলো ঘুরে ঘুরে দেখবো। তাছাড়া আমাদের মনিটরিং কর্মকর্তা ও তদারকি কর্মকর্তারা তো সব সময় দেখভাল করছে।।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ নজরুল ইসলাম। খুলনা অফিসঃ ৬/১ পাবলা কেশবলাল রোড, দৌলতপুর, খুলনা। মোবাইলঃ ০১৭১৩৭০৮১৯
Copyright © 2026 বাংলার চেতনা. All rights reserved.